1 Answers

সাবিহা মনে করেন 'যথাযথ উপায়ে সংরক্ষণের মাধ্যমে পোশাকের স্থায়িত্ব বাড়ে।' তার এ মন্তব্যটি সাঠিক বলে আমি মনে করি। 

আমরা নানা ধরনের কাপড় ব্যবহার করি। এগুলোর উজ্জ্বলতা, সৌন্দর্য ও স্থায়িত্ব রক্ষার জন্য সঠিকভাবে যত্ন ও সংরক্ষণ করতে হয়।

কাপড় সংরক্ষণের আগেই নিয়মানুযায়ী ধোয়া, শুকানো ও ইস্ত্রির কাজটি করে নিতে হবে। ইস্ত্রি করা রেশমি বস্ত্রের জলীয়বাষ্প ভালোভাবে দূর করতে হবে। তা না হলে ফাঙ্গাস সৃষ্টি হয়ে বস্ত্রের তত্ত্ব দুর্বল হয় এবং ব্যবহারের সময় ফেঁসে যায়। রেশমি কাপড়ের চরম শত্রু কাপড় কাটার রূপালি পোকা। তাই অবশ্যই সংরক্ষিত স্থানটি আর্দ্রতামুক্ত হতে হবে। মাঝে মাঝে হালকা রোদে বাতাস চালনা করে শুকিয়ে নিতে হবে। পশমের সবচেয়ে বড় শত্রু মথ। ময়লা পশমি কাপড়ে এদের আরও বেশি উপদ্রব হয়। মথপোকার হাত থেকে রক্ষা করতে হলে কাপড় সংরক্ষণের আগেই সঠিক নিয়মে ধুয়ে শুকিয়ে নিতে হবে। এরপর ইস্ত্রি করে বাতাসে শুকিয়ে আর্দ্রতা মুক্ত করে নিতে হবে। তারপর ভাগে ভাগে আলমারি বা বাক্সের মধ্যে ভরে রাখতে হবে। কাপড়ের ভাঁজে ভাঁজে ন্যাপথলিন দিতে হবে। এছাড়া শুকনো নিমপাতা, তামাক পাতা কাপড়ে জড়িয়ে ভাঁজে ভাঁজে রাখা যায়। সংরক্ষণ করার আগে আলমারি বা বক্সে কীটনাশক স্প্রে করে নিলে ভালো হয়। সংরক্ষিত কাপড়গুলো মাঝে মাঝে বের করে হালকা রোদে মেলে বাতাসে লাগিয়ে স্যাঁতসেঁতে ভাব দূর করতে হয়। পশমি কোট, প্যান্ট, জ্যাকেট প্রভতি আলমারির ভেতর হ্যাঙারে ঝুলিয়ে রাখলে ভালো থাকে। রেশমি বস্ত্র মূল্যবান হয়ে থাকে। এসব বস্ত্র ব্যবহারোপযোগী রাখার জন্য যত্নের সাথে সংরক্ষণ করতে হয়।

উল্লিখিত উপায় অনুসরণ করে কাপড় সংরক্ষণ করলে কাপড়ের স্থায়িত্ব বাড়ে। তাই বলা যায়, সাবিহার মন্তব্যটি সঠিক।

5 views

Related Questions