1 Answers

উদ্দীপকে উল্লিখিত খাদ্য পরিবেশনের পদ্ধতিটি হলো বু-ফে পরিবেশন। 

কোনো অনুষ্ঠানে অতিথির সংখ্যা বেশি হলে, জায়গা কম থাকলে এবং বিশেষ বা প্রধান অতিথি না থাকলে বু-ফের ব্যবস্থা করা যায়। এক্ষেত্রে উৎসবগুলো অনানুষ্ঠানিক হয়ে থাকে। যেমন- আকিকা, জন্মদিন, বিবাহবার্ষিকী ইত্যাদি।

বু-ফে পদ্ধতিতে বাসার লনে বা লম্বা বারান্দায়, খোলা বাগানে, হল রুমে ইত্যাদি স্থানে কয়েকটি টেবিলে একই ধরনের খাবার সরবরাহ করা হয়। খাবার গ্রহণের প্লেট, গ্লাস, চামচ, কাপ ও আনুষঙ্গিক দ্রব্যাদি একটি টেবিলে সুন্দরভাবে সাজিয়ে রাখা হয়। টেবিলের দু'পাশে বা চার পাশে একইভাবে খাবারগুলো সাজানো থাকে। অতিথিরা সব ধরনের খাবার প্লেটে নিয়ে স্বাধীনভাবে পছন্দমতো জায়গায় বসে গল্প গুজবের মাধ্যমে আনন্দের সাথে খাবার গ্রহণ করতে পারেন। এ রীতিতে অতিথির সংখ্যা বেশি হলেও অল্প জায়গায় সবাই স্বাচ্ছন্দ্যে খাবার গ্রহণ করতে পারে। 

রহিমা মেয়ের আকিকায় অতিথি আপ্যায়নে বারান্দায় এক কোণায় একটি টেবিলে পোলাও, রোস্ট, কাবাব, সবজি, সালাদ ও মিষ্টি রাখেন। অন্য একটি টেবিলে খাবারের প্লেট, চামচ, গ্লাস ও বাটি রাখেন। ফলে অতিথিরা নিজেদের পছন্দমতো আবার গ্রহণ করতে পারে। এ থেকে বোঝা যায়, রহিমা বু-ফে পরিবেশনের ব্যবস্থা করেন। আর এ পদ্ধতি অধিক অতিথি আপ্যায়নের সর্বোত্তম পদ্ধতি।

6 views

Related Questions

মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। সবুজ বনভূমির মাঝে দৃষ্টিনন্দন হ্রদ আর লাল ইটের তৈরি ইমারত ক্যাম্পাসকে আরও নান্দনিক করে তুলেছে। পাশাপাশি এ- ক্যাম্পাস ‘সংস্কৃতির রাজধানী' নামেও পরিচিত। এ ছাড়া প্রতি বছর শীতকাল এলেই বিশ্ববিদ্যালয়ের জলাশয়গুলো অতিথি পাখিতে পূর্ণ হয়ে যায়। তাই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়কে অতিথি পাখির ক্যাম্পাস হিসেবেও অনেকে চেনেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার গৌরবময় ইতিহাসকে ভিত্তি করে নির্মিত কয়েকটি ভাস্কর্য এ-বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্য বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। সবুজের মাঝে কংক্রিট বা ব্রোঞ্জে তৈরি ভাস্কর্যগুলো দাঁড়িয়ে আছে মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা ও ভাষা আন্দোলনের প্রতিচ্ছবি হয়ে । এসব ভাস্কর্য এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস পৌছে দিচ্ছে। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস, ঐতিহ্য ও চেতনাকে স্মরণ রাখতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্মাণ করা হয় ভাস্কর্য ‘সংশপ্তক'। যুদ্ধে জয়লাভ অথবা মৃত্যু – এই শপথে আবদ্ধ থেকে লড়াই করেন। যে অকুতোভয় বীর, তিনিই সংশপ্তক। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে স্থাপিত এই ভাস্কর্যটির মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যুদ্ধে শত্রুর আঘাতে এক হাত, এক পা হারিয়েও রাইফেল হাতে লড়ে যাওয়া দেশমাতৃকার এক বীরসন্তানকে। ভাস্কর্যটির নির্মাতা শিল্পী হামিদুজ্জামান খান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ব্রোঞ্জের অবয়বে প্রতীকী ব্যঞ্জনায় প্রকাশ করার চেষ্টা করেছেন। আজকের প্রজন্মের কাছে ভাস্কর্যটি যে-কোনো আন্দোলন-সংগ্রামের অনিঃশেষ প্রেরণা। হিসেবে কাজ করে।
1 Answers 6 Views