1 Answers
উদ্দীপকের বক্তব্যটি হলো, বন্যা বা জলাবদ্ধতা রোধে দীর্ঘমেয়াদি সফলতা পেতে স্থানীয় প্রকৌশলী, কৃষি কর্মকর্তা, এনজিও কর্মী এবং কৃষকদের যৌথ প্রচেষ্টার বিকল্প নেই।
অতিবৃষ্টি বা বন্যার কারণে কোনোস্থান জলাবন্ধ হয়ে পড়াকে জলাবদ্ধতা বলে।
বন্যার পানি নিয়ন্ত্রণ বা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে কৃষি জমিতে বাঁধ, ব্লুইস গেট নির্মাণের প্রয়োজন হয়। আবার এসব নির্মাণের ক্ষেত্রে পরিবেশগত দিক ভালোভাবে যাচাই করে নিতে হয়। এক্ষেত্রে স্থানীয় প্রকৌশলীগণ কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম। পাশাপাশি কৃষিবিজ্ঞানীরা নিরলস গবেষণা করে প্রতিনিয়ত আবিষ্কার করে চলেছেন নতুন নতুন প্রযুক্তি। তাই এখন জমির অপুষ্টি, অণুর্বরতা, বন্যা, খরা বা লবণাক্ততা ইত্যাদি সমস্যা জমির ফসল উৎপাদনকে বাধাগ্রস্ত করে রাখতে পারে না। প্রতিটি সমস্যা মোকাবেলায় কৃষিবিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত প্রযুক্তিগুলো কার্যকর ভূমিকা রেখে চলেছে। ফসল উৎপাদন থেকে শুরু করে ফসল সংগ্রহ ও গুদামজাতকরণের প্রতিটি কাজই এখন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে সম্পন্ন করে ক্ষতির হাত থেকে ফসল রক্ষা করা যায়। কিন্তু কৃষিতে বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত এসব প্রযুক্তির বেশির ভাগই কৃষকের পরিচিত নয়। তাই তারা এগুলোর ব্যবহার করতে না পেরে ক্ষতির সম্মুখীন হয়। কৃষি কর্মকর্তা, এনজিও কর্মীরা কৃষকদের এসব প্রযুক্তিগুলোর সাথে পরিচয় করিয়ে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়তা করেন।
অতএব বলা যায়, 'উদ্দীপকের নীলফামারী এলাকায় দীর্ঘমেয়াদি সফলতা পেতে যৌথ প্রচেষ্টার বিকল্প নেই' বক্তব্যটি যথার্থ।