1 Answers
উদ্দীপকে মৎস্য কর্মকর্তার উক্তিটি হলো, "মাছ চাষে রহিম মিয়ার পদক্ষেপটি যথার্থ ছিল।"
রহিম সাহেবের মাছ চাষে সফলতা দেখে গ্রামের আরো কিছু চাষি মাছের উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করেন। কিন্তু, চাষিদের মাছ চাষে সম্পূরক খাদ্য প্রয়োগের উপকারিতা সম্পর্কে কোনো ধারণা ছিল না। তারা মাছ চাষে পুকুরে উৎপাদিত প্রাকৃতিক খাদ্যের উপর নির্ভরশীল ছিলেন। ফলে মাছের খাদ্যের চাহিদা মিটত না। এজন্য তাদের পুকুরে মাছে উৎপাদন কম হতো। কিন্তু মাছকে নিয়মিত সম্পূরক খাদ্য সরবরাহ করলে অধিক ঘনত্বে পোনা উৎপাদন করা সম্ভব এবং মাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। তাছাড়া মাছের দৈহিক গঠন সুন্দর হয় এবং বাজারে বিক্রি 'করে অধিক মুনাফা লাভ করা যায়।
প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞানের মাধ্যমে রহিম মিয়া মানসম্মত ও নির্ধারিত খাদ্য উপাদানসমূহ সংগ্রহ করে সম্পূরক খাদ্য প্রস্তুত করেন। মাছ সাধারণত দিনের বেলায় খাদ্য গ্রহণ করে। এজন্য তিনি পুকুরে মাছের একদিনের প্রয়োজনীয় খাবারকে সামান দু'ভাগে ভাগ করে এক ভাগ সকালে এবং অন্য ভাগ বিকালে দেন। তিনি প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে পুকুরের চারপাশে ৩-৪ টি স্থানে খাবার দেন। তিনি নিয়মিত সম্পূরক খাদ্য প্রয়োগ করে অধিক ঘনত্বে পোনা ও বড় মাছ চাষ করতে ও অল্প সময়ে সুস্থ সবল পোনা উৎপাদনে সক্ষম হন।
পরিশেষে বলা যায়, মৎস্য কর্মকর্তার উক্তিটি যথার্থ ছিল।