1 Answers
তনুর বর্তমান অবস্থার জন্য জয়া দায়ী বলে আমি মনে করি।
শিশু যখন গর্ভে থাকে তখন মায়ের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা এবং গর্ভের পরিবেশ শিশুর বিকাশকে প্রভাবিত করে। গর্ভাবস্থায় নানা কারণে শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ ব্যাহত হতে এবং প্রতিবন্ধী শিশুর জন্ম হতে পারে।
মায়ের বেশি বয়স গর্ভস্থ ভ্রূণের জন্য ক্ষতিকর। কারণ বেশি বয়সে অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির স্বাভাবিক কার্যাবলি হ্রাস পায়। যেসব মহিলা ৩৫ বছরের পর প্রথম সন্তান জন্ম দেন সেসব শিশু প্রতিবন্ধী হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। জয়া ৪০ বছর বয়সে গর্ভধারণ করে। এছাড়া সে গর্ভাবস্থায় পুষ্টিকর খাবার খেত না এবং নিজের খেয়াল রাখত না। কিন্তু গর্ভাবস্থায় মাকে পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার খেতে হয়; তা না হলে শিশু অপরিণত অবস্থায় জন্মগ্রহণ করে অথবা কম ওজনের হয়, এমনকি এসব শিশু শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধীও হতে পারে। জয়া গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ছিল'। যার প্রভাব পড়ে তার তৃতীয় সন্তান তনুর ওপর। কারণ গর্ভবতীর ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি ও থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যার কারণে গর্ভস্থ শিশু প্রতিবন্ধী হতে পারে।
এছাড়া গর্ভাবস্থায় প্রথম তিন মাসে মা যদি জার্মান হাম, চিকেনপক্স, মাম্পস, যক্ষ্মা, ম্যালেরিয়া, রুবেলা ভাইরাস, এইডস ইত্যাদি রোগে আক্রান্ত হন তাহলে গর্ভস্থ ভ্রূণের ওপর তার ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে।