1 Answers

সীমা যাবতীয় চাহিদা পূরণে সকল সম্পদের ব্যবহারে পারদর্শিতা দেখিয়েছেন বলে আমি মনে করি।

সম্পদ দুই প্রকার। যথা: মানবীয় ও বস্তুগত সম্পদ। মানবীয় সম্পদ মানুষের গুণ, চর্চা বা অনুশীলনের মাধ্যমে বৃদ্ধি পায়। এগুলো অস্পর্শনীয়, ব্যক্তির অন্তর্নিহিত গুণাবলি। যেমন- শক্তি, জ্ঞান, বুদ্ধি, দক্ষতা, ধৈর্য ইত্যাদি। অন্যদিকে, যেসব বস্তু ও সেবা মানুষের চাহিদা পূরণে সহায়ক সেগুলো বস্তুগত সম্পদ। যেমন- অর্থ, জমিজমা, বাড়ি, রাস্তাঘাট, স্কুল কলেজ, আসবাবপত্র ইত্যাদি।

সীমা যাবতীয় চাহিদা পূরণে সকল সম্পদ অর্থাৎ, মানবীয় ও বস্তুগত সম্পদ ব্যবহারে পারদর্শিতা দেখিয়েছেন। অসীম চাহিদাকে সীমিত সম্পদ দ্বারা পূরণ করতে হলে সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার প্রয়োজন। এর ফলে পরিবারের আয় বাড়ে, ব্যয় হ্রাস পায় ও অর্থ সঞ্চয় করা যায়। পরিবারের সদস্যদের সময়, শক্তি, ক্ষমতা, দক্ষতা, বুদ্ধি ইত্যাদি মানবীয় সম্পদকে সুষ্ঠুভাবে ব্যবহার করে পরিবারের আয় বাড়ানো এবং ব্যয় হ্রাস করা যায়। যেমন- বাড়ির আঙিনায় সবজি উৎপাদন, হাঁস-মুরগি পালন, ঘরে পোশাক তৈরি ইত্যাদি। মধ্যবিত্ত পরিবারের গৃহিণী সীমা তার মানবীয় সম্পদ বুদ্ধি, শক্তি, দক্ষতা, সময়, আগ্রহকে কাজে লাগিয়ে সম্পদের অপচয় হ্রাস করেন ও আয় বাড়ান। তিনি খাবার টেবিলকে ছেলেমেয়েদের পড়ার টেবিল হিসেবে ব্যবহার করেন। ছেলেমেয়েদের ব্যবহৃত বই-খাতা দিয়ে প্যাকেট বানিয়ে সেগুলো বিক্রি করে বাড়তি আয় করেন। এছাড়া তিনি উঠানে সবজি চাষ করেন। এর ফলে তিনি খাদ্য খাতে ব্যয় হ্রাস করতে পারেন। এছাড়া সবজির উৎপাদন বেশি হলে তিনি সেগুলো বিক্রি করে বাড়তি আয়ও করতে পারেন।

সুতরাং, আমি মনে করি, সীমা চাহিদা পূরণে সকল সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারে পারদর্শিতা দেখিয়েছেন।

4 views

Related Questions