1 Answers
ধর্মাচরণের মূল উদ্দেশ্য হলো মোক্ষলাভ। মোক্ষলাভের দ্বারা পরমাত্মার সাথে জীবাত্মা মিশে যাবে। আর এ পর্যায়ে তার আর পুনর্জন্ম হবে না। ভোগ করতে হবে না জন্ম, জরা ও মৃত্যুর যন্ত্রণা। কিন্তু আশুতোষ বাবু উক্তিটির মাধ্যমে একটাই নির্দেশ করছেন যে, এ মোক্ষলাভের জন্য কেবল ব্যক্তিগতভাবে সাধনা করলেই চলবে না। তাতে মোক্ষলাভ হবে না। বরং জীবের কল্যাণ সাধনের মাধ্যমে মোক্ষলাভ সম্ভব। জীবের মধ্যে আত্মারূপে ঈশ্বর বা পরমাত্মা অবস্থান করেন। তাই পরমাত্মার সন্তুষ্টি এবং মোক্ষলাভের জন্য জীবজগতের কল্যাণ সাধন একান্ত প্রয়োজন। এক কথায়, যে পথে চললে নিজের মোক্ষলাভ, এবং জীব ও জগতের কল্যাণ সাধিত হয় সেই পথই ধর্ম।
তাই উদ্দীপকে আশুতোষ বাবু তার ছেলে সুমনকে উক্ত উক্তিটির মাধ্যমে জীবের প্রতি দয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।