1 Answers
উদ্দীপক-২ এ সুবলের চরিত্র যেন 'গরিব কাঠুরিয়ার' যোগ্য প্রতিনিধি- যুক্তিটি যথার্থ বলে আমি মনে করি।
"সততাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা'- এ উক্তিটি সুবলের জীবনে প্রতিফলিত হয়েছে। সুবল দরিদ্র পরিবারের সন্তান। অল্প বয়সে তার বাবার মৃত্যু হয়। ফলে সংসার চালানোর দায়িত্ব সুবলের ওপর ন্যস্ত হয়। সে একটি প্রতিষ্ঠিত দোকানের ম্যানেজার হিসেবে চাকরিতে যোগদান করে। প্রতিদিনই তার হাতে প্রচুর টাকা-পয়সা লেনদেন হয়। কিন্তু অভাব থাকলেও সে কোনোদিন বিশ্বাসের অমর্যাদা করেনি। অথচ তিনি চাইলে খুব সহজেই টাকা চুরি করে নিজের দরিদ্রতা ঘোচাতে পারতেন। কিন্তু সে তা করে নি। কারণ সে জানতে চুরি করা মহাপাপ, মিথ্যা বলা মহাপাপ। পাঠ্যপুস্তকে গরিব কাঠুরিয়ার মধ্যে সততার গুণটি প্রতিফলিত হয়। জলদেবতা গরিব কাঠুরিয়ার সততায় মুগ্ধ হয়েছিলেন। কাঠুরিয়া সৎ ও নিষ্ঠাবান ছিলেন। এজন্য জলদেবতা কাঠুরিয়াকে লোহার কুঠারের পরিবর্তে প্রথমে সোনার ও পরে রূপার কুঠার দিতে চাইলেন; কিন্তু কাঠুরিয়া লোভের বশবর্তী না হয়ে তা ফিরিয়ে দেন।
পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপক-২ এ সুবলের চরিত্র যেন 'গরিব কাঠুরিয়ার যোগ্য প্রতিনিধি'- যুক্তিটি যথার্থ।