1 Answers

হ্যাঁ, উদ্দীপকের 'রহিমুদ্দির মা' 'মানুষ' কবিতার বঞ্চিতদের যথার্থ প্রতিনিধি হয়ে উঠতে পেরেছে। 

পৃথিবীতে মানুষকে জাতি-ধর্ম-বর্ণ ইত্যাদির বিচারে বিবেচনা করা উচিত নয়। সৃষ্টিকর্তা মানুষকে আলো-বাতাস দিয়ে প্রতিপালন করছেন। যারা মানুষে মানুষে বিভেদ করে তারা সৃষ্টিকর্তার সান্নিধ্য লাভে ব্যর্থ হয়।

উদ্দীপকে স্বার্থপর চান্দু মিয়ার ঈদ উদ্যাপনের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হয়েছে। পাশের ঘরের অভুক্ত রহিমুদ্দির মার প্রতি তার কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত হয় রহিমুদ্দির মা। 'মানুষ' কবিতায় ক্ষুধার্ত ব্যক্তি মোল্লা-পুরোহিতের কাছ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। তাদের কাছে পর্যাপ্ত খাবার থাকার পরও তারা নিজেদের স্বার্থের কারণে ঐ ব্যক্তিকে বঞ্চিত করেছে। ক্ষুধার্ত ব্যক্তিকে তাড়িয়ে দিয়ে সমস্ত খাবার মোল্লা-পুরোহিত নিজেরা ভোগ করেছে।

'মানুষ' কবিতায় কবি সাম্যের গান গেয়েছেন। ক্ষুধার্ত মানুষের মধ্য দিয়ে তিনি মানুষের অসহায়ত্ব তুলে ধরেছেন। স্বার্থপরদের কারণে বঞ্চিত হয়েছে সাধারণ মানুষ। ক্ষুধার্ত ব্যক্তি মোল্লা-পুরোহিতের কারণে বঞ্চনার শিকার হয়। উদ্দীপকে রহিমুদ্দির মা চান্দু মিয়ার স্বার্থপরতায় বঞ্চিত হয়েছে। ঈদের আনন্দ চান্দু মিয়ার ঘরে এলেও রহিমুদ্দির মা এই আনন্দ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। তাই বঞ্চিতদের দিক থেকে উদ্দীপকের 'রহিমুদ্দির মা' 'মানুষ' কবিতার ক্ষুধার্ত ব্যক্তির যথার্থ প্রতিনিধি হয়ে উঠেছে।

5 views

Related Questions