1 Answers
উদ্দীপকে দেখা যায়, কৃষি ও শিল্প খাত রাহাতের গোচরীভূত হয়।
বাংলাদেশে অর্থনীতিতে সবচেয়ে বড় খাত ছিল কৃষি। সত্তরের দশকের শেষ পর্যন্ত দেশের জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ছিল ৫০%-এরও বেশি। কিন্তু এরপর থেকে ধীরে ধীরে কৃষির অবদান হ্রাস পাচ্ছে। অপরদিকে শিল্পখাতের অবদান ক্রমশ বাড়ছে। ২০১৮-১৯ সালে জিডিপিতে কৃষির অবদান হ্রাস পেয়ে ১৩.৬১% এ দাঁড়ায়। অন্যদিক, শিল্পের অবদান বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়। যেখান শিল্পের অবদান হলো ৩৫.১৪% দাতিষে কৃষির অবদান হ্রাস পাওয়ার অর্থ এই নয় যে, আমাদের দেশের কৃষির উৎপাদন ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে। কৃষি উৎপাদন হ্রাস পাচ্ছে না বরং ক্রমশ তা বাড়ছে। কিন্তু তার চেয়েও বেশি পরিমাণে মোট দেশজ উৎপাদ বৃদ্ধি পাচ্ছে। শিল্পের পাশাপাশি অন্যান্য খাতে উৎপাদ ক্রমশ বৃদ্ধি পেয়ে মোট দেশজ উৎপাদ অর্থাৎ জিডিপির বৃদ্ধি ঘটছে। এ কারণে কৃষি উৎপাদ বৃদ্ধি পাওয়া সত্ত্বেও মোট দেশজ উৎপাদনে কৃষির অবদান শতকরা হারে হ্রাস পাচ্ছে।
উদ্দীপকে রাহাত বলেন জাতীয় আয়ে কৃষির অবদান সবচেয়ে বেশি কিন্তু ক্রমশ তা হ্রাস পাচ্ছে। শিল্পখাতের অবদান বৃদ্ধি পাচ্ছে। অর্থাৎ রাহাতের দৃষ্টিগোচরে আসা খাতগুলো হলো কৃষি ও শিল্পখাত। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কৃষি ও শিল্প খাতের অবদান অনস্বীকার্য। ২০১৮-১৯ সালে সার্বিক কৃষি খাতের অবদান ১৩.৬১ শতাংশ আর সার্বিক শিল্প খাতের অবদান ৩৫.১৪ শতাংশ। অর্থাৎ কৃষির চেয়ে শিল্পের অবদান বেশি। উপরে আলোচিত মোট দেশজ উৎপাদনে কৃষির সাথে শিল্পের এরূপ অবস্থানের বিষয়টি আকাশের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।