1 Answers
উদ্দীপকে উল্লিখিত নারী ও পুরুষ সমতা রক্ষায় ১৯৮১ সালের কার্যকর আইনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
নারীর প্রতি বৈষম্য নিরসনে সিডও (CEDAW) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নারী ও পুরুষের সমতার নীতির ওপর ভিত্তি করে সনদটি. তৈরি। নারীর মানবাধিকারের বিষয়টিও এখানে ওঠে এসেছে। আইনগত পদ্ধতিতে এ অধিকারগুলো ম্যান্ডেটভুক্ত করায় সমর্থনকারী দেশগুলো এ সনদ মেনে চলতে বাধ্য। উদ্দীপকের শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য করিমন বেগম একটি সমাবেশে গিয়ে জানতে পারে আন্তর্জাতিক একটি সংগঠন নারী ও পুরুষের অধিকারের সমতাভিত্তিক একটি আইন যা ১৯৮১ সালে কার্যকর হয়। এ আইনে এ ধরনের বৈষম্য নিরসনে (CEDAW) সিডও সনদ এক কার্যকরী পদক্ষেপ। এ সনদ নারীর প্রতি রাষ্ট্রের দায়িত্বকে নিশ্চিত করে। এ সনদে ৩০টি ধারা আছে। এর প্রথম ১৬টি ধারা নারীর প্রতি কত প্রকার বৈষম্য আছে তা বিশ্লেষণ করে এবং পরের ১৪টি ধারা ব্যাখ্যা করে এ বৈষম্যগুলো কীভাবে বিলোপ করা যায়। নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ২৫ নভেম্বরকে 'আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস' হিসেবে পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়। ২৫ নভেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর বিশ্বব্যাপী পালিত হয় নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ। জাতিসংঘ ৮ মার্চকে বিশ্ব নারী দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে।
পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপকে বৈশিষ্ট্যগত দিক বিচারে নারী উন্নয়নের জন্য জাতিসংঘ জন্মলগ্ন থেকে অনেক কাজ করছে এবং নারীদের অবস্থানকে অনেক উন্নত করেছে।