1 Answers

সুমন ও মীরার মধ্যে নারী পুরুষের সুস্থ সম্পর্কের দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। এর ব্যাখ্যা হলো সম্পর্ক হলো- 

ভাবের আদান প্রদান, একজন মানুষ তার মনের ভাব বা ইচ্ছা অন্য একজন মানুষের কাছে প্রকাশ করবে, এটাই স্বাভাবিক। সা সম্পর্ক আমাদের সুন্দরভাবে ভাবের আদান প্রদান করতে সহায়তা করে এবং ভালো বা সুস্থ সম্পর্ক একে অন্যের আরও কাছাকাছি যেতে সাহায্য করে।

নারী-পুরুষের মধ্যে সুস্থ সম্পর্ক বলতে সাধারণত বোঝায়, বিবাহিত জীবনের মধ্য দিয়ে স্বামী-স্ত্রীর ভালোবাসার সম্পর্ক এবে অন্যকে সম্মান করা বা মর্যাদা দেওয়া, বুঝতে পারা, একে অন্যের প্রয়োজনে ভাইবোনসুলভ মনোভাব নিয়ে পাশে দাঁড়ানে বন্ধুসুলভ মেেনাভাবপোষণ করা, দৈহিক লালসা নিজের আয়ত্তে রেখে মানবীয় দিকের প্রতি প্রাধান্য দেওয়া; একে অন্যের প্রতি দরদবোধ বা সহানুভূতি দেখানো। এসবের মধ্য দিয়ে একে অন্যের কাছাকাছি আসা ও ভাবের আদান প্রদান করা।

সমাজের সবার সাথে একটা সুন্দর সম্পর্ক থাকবে সেটাই সবাই কামনা করে; কিন্তু সম্পর্কটা যখন দুই বিপরীত লিঙ্গের মধ্যে হা তখন অনেকের ক্ষেত্রে একটা অহেতুক ভয় বা দ্বিধা কাজ করে। এটা রক্ষণশীল সমাজে আরও বেশি হয়। এ কারণে আমাদের। ক্ষেত্রে সুন্দর মানসিকতা নিয়ে গড়ে উঠতে হবে। আমাদের ভালোভাবে বুঝতে হবে যে, আমরা প্রত্যেকে একই ঈশ্বরের বাং থেকে এসেছি। নারী ও পুরুষ একই ঈশ্বরের সৃষ্টি, ঈশ্বর নারী ও পুরুষকে একে অপরের পরিপূরক হিসেবে সৃষ্টি করেছেন এবং মানুষ হিসেবে নারী ও পুরুষ এক হলেও শারীরিক ও মানসিক দিক দিয়ে কিছু ভিন্নতা রয়েছে। একে অন্যের চাওয়া-পাওয়া, ইচ্ছা-অনিচ্ছা, দৃষ্টিভঙ্গি ইত্যাদির মধ্যে সেই ভিন্নতা বেশি করে লক্ষ করা যায়। নারী-পুরুষের সুস্থ সম্পর্ক স্থাপনের ক্ষেত্রে যেহেতু এ বিষয়গুলো বেশি প্রভাব বিস্তার করে, তাই সবসময় সচেতন থাকতে হয়। 

মূলকথা: নারী পুরুষের সুস্থ সম্পর্ক ঈশ্বরের নির্দেশিত।

4 views

Related Questions