1 Answers

হ্যাঁ, আমি মনে করি উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনাবলি তথা নির্বাচন গণতন্ত্রকে সুদৃঢ় করে।

গণতন্ত্রের একটি মৌলিক বিষয় হলো নির্বাচন। নির্বাচন ছাড়া গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চিন্তা করা যায় না। গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে শাসন পরিচালনার জন্য নির্বাচনের বিকল্প নেই। রাষ্ট্র ও সরকারের বিভিন্ন স্তরে জনপ্রতিনিধি বাছাইয়ের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। উদ্দীপকে আমরা লক্ষ করি, ইয়ংস্টার ক্লাবের নির্বাচন প্রক্রিয়াতে গণতন্ত্রের বহিঃপ্রকাশ পরিলক্ষিত হয়। ক্লাবটিতে নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব পায়। আর এ নেতৃত্ব প্যানেল ক্লাবের সদস্যগণ তাদের ভোটাধিকার প্রদানের মাধ্যমেই তৈরি করেছেন। আধুনিক গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস। নির্বাচনে অংশগ্রহণ এবং ভোটদানের মাধ্যমেই জনগণ তাদের এই গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করে। এ প্রক্রিয়ায় জনগণ তাদের দৃষ্টিতে সৎ ও যোগ্য প্রতিনিধি নির্বাচন করে। জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারাই সরকার গঠিত ও পরিচালিত হয়। সুতরাং নির্বাচন ব্যবস্থার সাথে বৈধ কর্তৃপক্ষ নির্বাচন এবং গণতান্ত্রিক সরকার গঠনের সম্পর্ক রয়েছে। নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই জনগণ চাইলে পূর্ববর্তী সরকার ও দলকে প্রত্যাখ্যান করতে পারে। যে সরকার বা দল জনগণের স্বার্থ বা জনমতের বিরোধিতা করে তার বা তাদের প্রতি জনগণের আস্থা থাকে না। নির্বাচনের মাধ্যমেই জনগণ তাদের জবাব প্রদান করে। গণতন্ত্র জনগণের সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি দেয়। জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতার প্রয়োগ ঘটে নির্বাচনের মাধ্যমে। 

পরিশেষে বলা যায়, নির্বাচন সর্বদাই গণতন্ত্রকে সুদৃঢ় করবে।

5 views

Related Questions