1 Answers
মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত যেসব মাঙ্গলিক আচার-অনুষ্ঠানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জামাইষষ্ঠী তার মধ্যে অন্যতম একটি। বার মাসে তের পার্বণের মধ্যে জামাইষষ্ঠী বাঙালি হিন্দুধর্মাচারে একটি বিশেষ উৎসব। এদিনটিকে বলা হয় জামাই-শাশুড়ির দিন। প্রতিবছর জ্যৈষ্ঠ মাসের শুক্লা ষষ্ঠী তিথিতে এ ধর্মানুষ্ঠান পালন করা হয়। আলোচ্য উদ্দীপকে প্রিয়ার মা খুব আয়োজন করে জামাইষষ্ঠী উৎসবটি পালন করে। একমাত্র মেয়ের জামাইকে জ্যৈষ্ঠ মাসের ষষ্ঠী তিথিতে নিমন্ত্রণ করেন। জামাইয়ের জন্য নতুন পোশাক তৈরি করে নিজের হাতে পিঠা পুলি বানিয়ে আন্তরিকতার সাথে জামাইকে খাওয়ান। এতে করে পারিবারিক বন্ধন সুদৃঢ় হয়। শাশুড়ির কাছে জামাই সন্তানের মতো। এ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে জামাই ও শাশুড়ির মধ্যে আন্তরিকতার সম্পর্ক পুনঃস্থাপিত হয়। শাশুড়ির প্রতি জামাইয়ের দায়িত্ব কর্তব্যও বৃদ্ধি পায়। এক পরিবারের সাথে অন্য পরিবারের আত্মীয়তার বন্ধন দৃঢ় হয়। উদ্দীপকের রাকেশ নিজেও শ্বশুরবাড়ির আত্মীয়স্বজনের জন্য নানা উপহার কিনে নিয়ে আসে। শ্বশুর-শাশুড়ির প্রতি এ অনুষ্ঠান থেকে তার শ্রদ্ধাভক্তি ও সম্মান। বৃদ্ধি পায়। স্নেহ, মায়া, মমতার বন্ধনে একে অপরের সাথে আবদ্ধ হয়।
তাই বলা যায়, জামাইষষ্ঠী পারিবারিক জীবনের বন্ধনকে সুদৃঢ় করে।