1 Answers

দেশে অধর্ম বেড়ে গেলে ভগবান অবতাররূপে জন্মগ্রহণ করেন। দেবজিত পৃথিবীতে ভগবানের অবতাররূপে আগমন করেন। উদ্দীপকের দেবজিতের সাথে আমরা পাঠ্যপুস্তকের ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জীবনের মিল খুঁজে পাই। ভগবানের লক্ষ্য যেমন জীবের কল্যাণ, ঠিক তেমনি শ্রীকৃষ্ণ জগতের মানুষের কল্যাণের জন্য পৃথিবীতে আগমন করেন। তিনি নিজেই তার আবির্ভূত হওয়ার কারণ বলেন, "হে অর্জুন, জগতে যখন ধর্মের গ্লানি দেখা দেয় এবং অধর্মের উত্থান ঘটে, তখনই আমি নিজেকে সৃজন করি। সজ্জনদের রক্ষা, দুর্জনদের বিনাশের জন্য এবং ধর্মকে সংস্থাপনের জন্য যুগে যুগে আমি আবির্ভূত হই অর্থাৎ অবতাররূপে জন্মগ্রহণ করি।” তাঁর বাণী থেকে বোঝা যায় যে, তিনি মানবকল্যাণের জন্য জন্মগ্রহণ করেন।' অত্যাচারী কংসকে হত্যা করে তার অত্যাচারের হাত থেকে জনগণকে বাঁচিয়েছেন। জরাসন্ধ ও শিশুপালকে হত্যা করে মানুষের কল্যাণ সাধন করেছেন। দুর্যোধনকে পরাজিত করতে ধর্মরাজ্য প্রতিষ্ঠা করতে সাহায্য করেন। জগতের সকল শোক, দুঃখ, কষ্ট ও অশান্তির হাত থেকে মানুষকে পরিত্রাণ করেন। দুষ্টদের তিনি সমাজ থেকে বিনষ্ট করেন। সমাজে আবার শান্তি ফিরে আসে। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ন্যায়পরায়ণতার শিক্ষা দিয়েছেন। দুষ্টের কাছে তিনি ছিলেন ভয়ঙ্কর, সজ্জনের কাছে শান্তির সৌম্য কান্তধারী আর ভক্তের কাছে ভগবান। তিনি ছিলেন সত্য, শক্তি, সুন্দর ও শান্তির প্রতীক। তাই বলা যায়, দেবজীতের আগমন ছিল এক মহাসন্ধিক্ষণ।

4 views

Related Questions