1 Answers
নিলয় চাকমা উক্ত কর্মকাণ্ডে ইহকালে সুখ-শান্তি ভোগ করবে এবং পরকালে (পরজন্মে) সুগতি লাভ করবে।
বুদ্ধ বলেছেন, "চেতনাহং ভিবে কম্মং বদামি।" অর্থাৎ চেতনাকে আমি কর্ম বলি। এ কর্ম কুশল ও অকুশল হতে পারে। কুশলকর্ম হচ্ছে পুণ্যময় ক্রিয়া। এ কুশলকর্ম বলতে বোঝায় সৎকর্ম বা পুণ্যময় কার্যকে। কুশলকর্মের সমার্থক শব্দ হচ্ছে নিপুণ, শুভ, পুণ্যধর্ম, সৎ, ধার্মিক, নির্দোষ, প্রশংসনীয় ইত্যাদি। লোভ, দ্বেষ, মোহহীন হয়ে কোনো কর্ম করাকে কুশলকর্ম বলা হয়। যে কাজে কোনো পাপ থাকে না তাই কুশলকর্ম। দান, শীল ভাবনা, সেবা, পুণ্যদান, ধর্ম শ্রবণ ইত্যাদি কার্যক্রমের দ্বারা কুশলকর্ম করা যায়।
কর্ম দ্বারা সমাজে মানুষের অবস্থান সুদৃঢ় হয় কিংবা প্রতিষ্ঠা লাভ সম্ভব; জন্ম নিয়ে নয়। কুশল কর্মের ফল সব সময় ভালো হয়।
নিলয় চাকমা সব সময় ভালো ফল ভোগ করবেন। কেননা তিনি কুশল চেতনার কারণে গরিব হয়েও দান কার্যে নিয়োজিত থাকেন। তিনি এর ফলে অনেক প্রশংসা পাবেন। অর্থাৎ নিলয় চাকমা কুশল কার্যক্রমের দ্বারা ইহকালে সুখ শান্তি ভোগ করার সাথে সাথে পরকালেও সুফল পাবেন।