1 Answers
উদ্দীপকে উল্লিখিত জিতু চাকমার কর্মকাণ্ডে ইহকালে সুখ-শান্তি ভোগ করবেন এবং পরকালে সুগতি লাভ করবেন।
বৃদ্ধ চেতনাকে কর্ম বলেছেন। এ কর্ম কুশল ও অকুশল হতে পারে। কুশলকর্ম হচ্ছে পুণ্যময় ক্রিয়া। এ কুশলকর্ম বলতে বোঝায় সৎকর্ম বা পুণ্যময় কার্যকে। কুশলকর্মের সমার্থক হচ্ছে নিপুণ, শুভ, পুণ্যধর্ম, সৎ, ধার্মিক, নির্দোষ, প্রশংসনীয় ইত্যাদি। লোভ, দ্বেষ, মোহনীয় হয়ে কোনো কর্ম করাকে কুশলকর্ম বলে। কুশলকর্মের ফল কুশল হয়। অর্থাৎ ভালো কাজ করলে ভালো ফল লাভ করা যায়। কুশল কর্ম চেতনার প্রভাবে ক্ষেমা সুকৃতি অর্জন করে বুদ্ধের সময় মনুষ্যলোকে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। কুশল কর্মের প্রভাবে বোধিসত্ত্ব মৃত্যুর পর রাজপুত্র হয়ে জন্মগ্রহণ করেন।
কর্ম দ্বারাই মানুষের অবস্থান প্রতিষ্ঠিত হয়। কুশল কর্মের ফলে মানুষ ইহজন্মে সুখ-শান্তি লাভ করে। আর পরজন্মে সুগতি প্রাপ্ত হয়।
উদ্দীপকে জিতু চাকমা দান, শীল ও ভাবনায় রত হয়ে সুন্দরভাবে জীবনযাপন করেন। অর্থাৎ তিনি সব সময় কুশলকর্ম করে থাকেন। তাই তিনি ইহকাল ও পরকালে কুশল কর্মের কুশল ফল ভোগ করবেন।