1 Answers
হ্যাঁ, আমি মনে করি নারীর প্রতি বৈষম্য বিলোপে সাদিয়ার কার্যক্রম নারীর সকল প্রতিবন্ধকতা দূর করবে।
বিশ্বের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী হলেও জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তারা অবহেলিত। সার্বিক উন্নয়নের জন্য নারীর অধিকার রক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ। উদ্দীপকে সাদিয়া নারীর সমতা বিধানের জন্য যেসব ধারা অনুকরণ করে তা সিডও সনদের অন্তর্ভুক্ত। নারী-পুরুষ সমতার নীতির ওপর ভিত্তি করে সিডও সনদটি তৈরি করে জাতিসংঘ। নারীর মানবাধিকারের বিষয়টিও এখানে উঠে এসেছে। আইনগত পদ্ধতি ও সনদ নারীর প্রতি রাষ্ট্রের দায়িত্বকে নিশ্চিত করে। সিডও সনদে ৩০টি ধারা আছে। এর প্রথম ১৬টি ধারা নারীর প্রতি কত প্রকার বৈষম্য আছে তা বিশ্লেষণ করে। পরের ১৪টি ধারা ব্যাখ্যা করে এ বৈষম্যগুলো কীভাবে বিলোপ করা যায়। নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ১৯৯৭ সালের ১৭ নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ২৫ নভেম্বরকে 'আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস' হিসেবে পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়। ২৫ নভেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর বিশ্বব্যাপী পালিত হয় নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ। এছাড়া জাতিসংঘ ৮ মার্চকে বিশ্ব নারী দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে। নারীর প্রতি বৈষম্য বিলোপে জাতিসংঘের সিডও সনদ একটি কার্যকর উদ্যোগ। এ উদ্যোগই বর্তমানে নারীদের অবস্থানকে অনেক উন্নত করেছে। পরিশেষে সার্বিক আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, নারীর বৈষম্য বিলোপে সাদিয়ার কার্যক্রম নারীর সকল প্রতিবন্ধকতা দূর করবে।