1 Answers
হ্যাঁ, আমি মনে করি 'B' চিহ্নিত প্রতিষ্ঠানটি তথা জেলা পরিষদের ওপর যে দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে তা সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে সম্পন্ন করতে পারে।
বাংলাদেশ সরকার ৬ জুলাই ২০০০ সালে 'জেলা পরিষদ আইন ২০০০' প্রবর্তন করে। আইনের বিধান অনুযায়ী খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা ও বান্দরবান পার্বত্য জেলাসমূহ ব্যতীত অন্য জেলায় জেলা পরিষদ গঠনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়। একজন চেয়ারম্যান, ১৫ জন সদস্য এবং সংরক্ষিত আসনের পাঁচজন নারী সদস্য নিয়ে জেলা পরিষদ গঠিত। একটি জেলা পরিষদের মেয়াদ বা কার্যকাল থাকবে পাঁচ বছর। জেলা পরিষদের কার্যাবলি দুই ধরনের। যথা- আবশ্যিক ও ঐচ্ছিক। আবশ্যিক কার্যাবলির মধ্যে রয়েছে- জেলার সকল উন্নয়ন কার্যক্রমের পর্যালোচনা; উপজেলা পরিষদ, ও পৌরসভা কর্তৃক প্রকল্পসমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা; সাধারণ পাঠাগারের ব্যবস্থা ও রক্ষণাবেক্ষণ; জনপথ, কালভার্ট ও ব্রিজ নির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং উন্নয়ন; রাস্তার পাশে বৃক্ষরোপণ ও সংরক্ষণ প্রভৃতি। জেলা পরিষদ ঐচ্ছিক কার্যাবলির অংশ হিসেবে শিক্ষা, সংস্কৃতি, সমাজকল্যাণ, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, জনস্বাস্থ্য ও গণপূর্তবিষয়ক বিস্তৃত কার্যক্রম গ্রহণ করে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অর্থ মঞ্জুরি প্রদান ও শিক্ষার উন্নয়নের সহায়ক অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণ; জনসাধারণের জন্য ক্রীড়া ও খেলাধুলা কার্যক্রমের উন্নয়ন; তথ্যকেন্দ্র স্থাপন; জাতীয় দিবস উদ্যাপন; নাগরিক শিক্ষার প্রসার; দুস্থ ব্যক্তিদের জন্য কল্যাণকর, আশ্রয় সদন, বিধবা সদন, 'এতিমখানা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান স্থাপন প্রভৃতি ঐচ্ছিক কার্যাবলির অন্তর্ভুক্ত। এভাবে জেলা পরিষদ স্থানীয় এলাকাবাসীর ধর্মীয়, নৈতিক ও বৈষয়িক উন্নতি সাধনের জন্য কাজ করে।
পরিশেষে বলা যায়, উপরিউক্ত কাজগুলো তথা দায়িত্বগুলো স্বাধীনভাবেই সম্পন্ন করতে পারে।