1 Answers

পাঠ্যবইয়ের গরিব কাঠুরিয়া চরিত্রের সাথে প্যাকেটের মালিক চরিত্রের সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়।

পাঠ্যবইয়ের গরিব কাঠুরিয়া কাঠ কেটে বিক্রি করে তার সংসার চালাতেন। একদিন তিনি বনে গেলেন কাঠ কাটতে। যে ডাল তিনি কাটছিলেন তা ছিল নদীর ওপর। কাঠুরিয়ার অসতর্কতার কারণে ডাল কাটতে কাটতে হঠাৎ তার কুঠারটা নদীর জলে পড়ে হারিয়ে যায়। তিনি তার সংসার চালানোর চিন্তায় মাথায় হাত রেখে চিন্তা করতে লাগলেন কী দিয়ে তিনি চাল, ডাল কিনবেন। এমন সময় হঠাৎ করে  নদী থেকে জলদেবতা ওঠে এলেন হাতে একখানা সোনার কুঠার নিয়ে এবং কাঠুরিয়াকে জিজ্ঞেস করলেন এটা তার কুঠার কিনা। উত্তরে  কাঠুরিয়া জানিয়ে দিলেন এটি তার না। তারপর জলদেবতা আবার নদীতে ডুব দিয়ে একটি রুপার কুঠার আনলেন এবং বললেন এটি তার কিনা। আবারও সে একই কথা বললেন। পরবর্তীতে জলদেবতা ডুব  দিয়ে তার লোহার কুঠার আনলেন এবং তাকে জিজ্ঞেস করলেন এটি তার কিনা। উত্তরে কাঠুরিয়া বললেন এটিই তার কুঠার। তখন জলদেবতা কাঠুরের সততায় মুগ্ধ হয়ে তাকে সবগুলো কুঠারই দিয়ে দিলেন।

উদ্দীপকের বর্ণনায় আমরা দেখতে পাই, আর্থিক অনটনে পড়ে অজয়বাবু টেক্সি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে। একদিন তিনি টেক্সি চালিয়ে বাসায় ফেরার পথে দেখতে পায় তার টেক্সির ভিতর একখানা ফাইল পড়ে আছে। বাসায় এসে ফাইলটি খুলে দেখে ফাইলের একটি প্যাকেটে অনেক টাকা। পরক্ষণে দেখতে পায় একটি মোবাইল নম্বর। তখন সে দেরি না করে মোবাইলে ফোন করে প্যাকেটের মালিককে সব খুলে বললে প্যাকেটের মালিক এসে তার প্যাকেটটি হাতে নিয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে তাকে জড়িয়ে ধরে এবং বলে প্যাকেটটি না পেলে সে আত্মহত্যা করত।

পাঠ্যবইয়ের গরিব কাঠুরিয়ার কর্মকান্ড আর টেক্সিচালকের কর্মকান্ডের মধ্যে পুরাপুরি মিল লক্ষ করা যায়। উভয়ে তাদের মূল্যবান জিনিস হারিয়ে সততার মাধ্যমে আবার ফিরে পান। তাই পাঠ্যবইয়ের গরিব কাঠুরিয়ার চরিত্রের সাথে প্যাকেট মালিকের চরিত্র সাদৃশ্যপূর্ণ।

5 views

Related Questions