1 Answers

উদ্দীপকের শেষোক্ত উক্তিটি হলো 'সময় নির্ণয়ে নানাবিধ কাল্পনিক রেখা রয়েছে।' এ বক্তব্যটি সঠিক ও যথার্থ।

পৃথিবী একটি গোলকের ন্যায়। তাই পৃথিবীর সময় নির্ণয়ের ক্ষেত্রে বিভিন্ন কাল্পনিক রেখার সাহায্য নেওয়া হয়। গোলাকার পৃথিবী নিজ অক্ষ বা মেরুরেখায় পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে আবর্তন করছে। ফলে ভূপৃষ্ঠের বিভিন্ন স্থান ভিন্ন ভিন্ন সময়ে সূর্যের সামনে উপস্থিত হচ্ছে। যে সময়ে কোনো স্থানের মধ্যরেখা সূর্যের ঠিক সামনে আসে তখন ঐ স্থানে দুপুর হয় এবং ঘড়িতে তখন ১২টা বাজে। দুপুর বা মধ্যাহ্ন অনুসারে অন্যান্য সময় নির্ণয় করা হয়। পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে আবর্তন করে তাই পূর্বে অবস্থিত স্থানসমূহে আগে সূর্যোদয় হয়। কোনো স্থানের সময় বেলা ১টা হলে তার ১০ পূর্বের স্থানে সময় বেলা ১টা ৪ মিনিট এবং ১০ পশ্চিমের স্থানে বেলা ১২টা ৫৬ মিনিট হবে। গ্রিনিচে (০০) যখন সকাল ৮টা তখন কোনো স্থানে সকাল ১০টা হলে উক্ত স্থানের দ্রাঘিমা ৩০° পূর্ব হবে। আবার সময় গ্রিনিচের চেয়ে কম হলে উক্ত স্থানটি গ্রিনিচের পশ্চিমে অবস্থিত হবে। এভাবে দ্রাঘিমার অবস্থান থেকে সময় ও সময়ের অবস্থান থেকে দ্রাঘিমা নির্ণয় করা হয়। মূলত বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের সময় নির্ণয় পদ্ধতি বিভিন্ন ধরনের। আর এ পদ্ধতি প্রয়োগের জন্য বিভিন্ন কাল্পনিক রেখার সাহায্য নেওয়া হয়। যেমন: অক্ষরেখা, নিরক্ষরেখা, সমাক্ষরেখা, দ্রাঘিমারেখা, মূল মধ্যরেখা প্রভৃতি। উদ্দীপকের জনাব হাসান সাহেবও বলেন, আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা ছাড়াও সময় নির্ণয়ে আরও অনেক কাল্পনিক রেখা রয়েছে।

পরিশেষে বলা যায়, উপরিউক্ত কারণে উদ্দীপকের শেষোক্ত উক্তিটি সম্পূর্ণ যুক্তিযুক্ত।

5 views

Related Questions