1 Answers

উদ্দীপকে উল্লিখিত স্মৃতিস্তম্ভটি হলো কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার। ভাষা শহিদদের স্মৃতিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য এ শহিদ মিনার নির্মাণ করা হয়।

১৯৪৮ সালের মার্চ মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে পাকিস্তানের তৎকালীন গভর্নর মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঘোষণা করেন- পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে উর্দু। উপস্থিত ছাত্রশিক্ষক 'না না না' ধ্বনিতে প্রতিবাদ জানায়। দেশের শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবী এবং অধিকাংশ রাজনৈতিক নেতা বাংলা ভাষার পক্ষে অবস্থান নেন। শুরু হয়ে যায় ভাষা আন্দোলন। এ আন্দোলনের এক পর্যায়ে ছাত্ররা গণপরিষদ ঘেরাও ও রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, কিন্তু তৎকালীন সরকার বিষয়টি বুঝতে পেরে ছাত্রদের বাধা দেওয়ার সিদ্ধান্তে ১৪৪ ধারা জারি করে। ছাত্ররাও ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল বের করার সিদ্ধান্ত নেয়। আন্দোলনকারীদের ঠেকাতে পুলিশ প্রথমে লাঠি চার্জ ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। এক পর্যায়ে পুলিশ গুলি চালালে রফিক, জব্বার, বরকত, শফিউরসহ নাম না জানা অনেকে শহিদ হন। যেখানে ছাত্র হত্যা করা হয়েছিল সেই স্থানে ২৩ ফেব্রুয়ারি তৈরি করা হয় একটি শহিদ মিনার। ১৯৬৩ সালে এ অস্থায়ী মিনারটির স্থলে বড় করে শহিদ মিনার তৈরি করা হয়। এটিই ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনে গড়া কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার।

4 views

Related Questions