1 Answers
নিষ্কাম কর্মে কর্মকারী তাঁর কর্মফল ঈশ্বরে সমর্পণ করেন। এজন্য কর্মযোগের ক্ষেত্রে কেবল নিষ্কাম কর্মের মাধ্যমেই মোক্ষলাভ সম্ভব।
কর্মকে বলা হয় জীবন, এবং জীবনধারণের জন্য সকলের কর্ম করতে হয়। এ আবশ্যিক কর্ম দিয়ে মুক্তিলাভ সম্ভব নয়। তাই কর্ম ফলের আশা ত্যাগ করে তা নিষ্কাম কর্মে পরিণত করতে হবে। মনে করতে হবে বিশ্বজগৎ ঈশ্বরের কর্মক্ষেত্র। এ কর্মক্ষেত্রে সর্বক্ষণ ঈশ্বরেরই কর্ম হচ্ছে। আর এ কর্ম করার জন্যই ঈশ্বর সকল জীবকে নিয়োগ করেছেন। তাই ফলের আশা না করে বরং ঈশ্বরের নিয়োজিত ব্যক্তি হিসেবে কর্ম সম্পাদন করতে হবে। ফলাকাঙ্ক্ষা বর্জিত কর্মই কর্মযোগ। ধর্মগ্রন্থ অনুসারে কর্মযোগের নির্দেশ হচ্ছে-
কর্মকর্তাকে কর্মফল ঈশ্বরে সমর্পণ করতে হবে। আমি কর্ম করছি এরূপ অনুভূতি থাকবে না। প্রত্যেকে নিজ নিজ কর্ম অবশ্যই করতে হবে। ফলের আশা ত্যাগ করে কর্ম করতে হবে। এরূপ কর্মে কর্তা অনাবিল আনন্দ লাভ করে এবং তখন ভগবানের প্রতি ভক্তির উদয় হয়। এভাবে কর্মানুশীলন করতে করতে ঈশ্বর অনুগ্রহে মানুষের মুক্তিলাভ হয়ে থাকে।