1 Answers

উদ্দীপকে উল্লিখিত বোধিসত্ত্বগুলো হলো শ্রাবক বোধিসত্ত্ব ও প্রত্যেক বোধিসত্ত্ব। এ দুটি বোধিসত্ত্ব সাধনার অন্যতম প্রক্রিয়া হলেও সর্বোত্তম প্রক্রিয়া নয়। সম্যক সম্বোধিসত্ত্ব বোধিসত্ত্ব সাধনার সর্বোত্তম প্রক্রিয়া।

সর্বসভার কল্যাণব্রত নিয়ে বোধিচিত্ত সাধনার অনুসরণকারীকে সম্যকসম্বোধিসত্ত্ব বলে। তাঁরা সাধনার পূর্ণতায় সম্যক সম্বুদ্ধ হন। যেমন গৌতম বুদ্ধ একজন সম্যক সম্বুদ্ধ। সম্যক সম্বোধিসত্ত্বগণ সর্বজীবের মুক্তির মাধ্যমেই নিজের মুক্তি প্রত্যাশা করেন। এভাবেই তাঁরা পারমী অনুশীলন করেন।

কোন প্রেক্ষিতে কীভাবে বোধিচিত্ত বা বোধিসত্ত্ব সাধনার উৎসাহ জাগ্রত হলো সে উৎসের ভিত্তিতে বোধিসত্ত্বকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. প্রজ্ঞাধিক বোধিসত্ত্ব। 

২. শ্রদ্ধাধিক বোধিসত্ত্ব। 

৩. বীর্যাধিক বোধিসত্ত্ব।

১. প্রজ্ঞাধিক বোধিসত্ত্ব: যে বোধিসত্ত্ব লক্ষ্য অর্জনে প্রজ্ঞাসাধনাকে সর্বাগ্রে স্থান দেয় তাকে প্রজ্ঞাধিক বোধিসত্ত্ব বলে। এ স্তরের বোধিসত্ত্বগণ প্রজ্ঞা পারমীর অনুশীলনের মাধ্যমে স্বীয় চিত্তকে নিয়ন্ত্রণে এনে ক্রমে অন্য পারমীর পূর্ণতা সাধন করেন।

২. শ্রদ্ধাধিক বোধিসত্ত্বঃ যে বোধিসত্ত্ব লক্ষ্য অর্জনে শ্রদ্ধাকেই সর্বাগ্রে স্থান দেন তাঁকে শ্রদ্ধাধিক বোধিসত্ত্ব বলে। এ স্তরের বোধিসত্ত্বগণ শ্রদ্ধার সঙ্গে ক্রমান্বয়ে সকল পারমী পূর্ণ করেন।

৩. বীর্যাধিক বোধিসত্ত্বঃ যে বোধিসত্ত্ব লক্ষ্য অর্জনে কর্ম প্রচেষ্টাকেই সর্বাগ্রে স্থান দেন তাকে বীর্যাধিক বোধিসত্ত্ব বলে। এ স্তরের বোধিসত্ত্বগণ বীর্য পারমীর অনুশীলনের মাধ্যমে স্বীয় চিত্তকে নিয়ন্ত্রণে এনে ক্রমে অন্য পারমী পূর্ণতার সাধনা করেন।

5 views

Related Questions