1 Answers

উদ্দীপকে পৃথ্বী ও সিদ্ধার্থ দুজনে মানব জাতির কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করেছেন।

বুদ্ধত্বলাভ করার পরে গৌতম বুদ্ধ মানুষের কল্যাণের জন্য ধর্মপ্রচার করেন। শ্রেষ্ঠিপুত্র যশ ও তার চার বন্ধু সংসারের প্রতি বীতরাগ হয়ে বুদ্ধের কাছে থেকে প্রব্রজ্যা গ্রহণ করেন। বুদ্ধ তাঁর শিষ্যদের বলেন, যে ধর্মের আদিতে, মধ্যে এবং অন্তে কল্যাণ সেই ধর্ম প্রচার কর। এই কথা বলে নিজেও ধর্ম প্রচারের জন্য উরুবেলার সেনানী গ্রামে গমন করেন। উরুবেলার পথে তিনি অনেককে এই কল্যাণধর্মে দীক্ষিত করেন।

মহাকারুণিক বুদ্ধ নিজের পিতাকে বলেন, প্রজাবৃন্দকে পুত্রের ন্যায় স্নেহ করুন। সব মানুষকে এমনকি সব জীবকে আপনি ভালোবাসুন। এভাবে তিনি স্নেহশীল পিতাকে একজন আদর্শ প্রজাপালক ও ধার্মিক নরপতির করণীয় বিষয়ে সচেতন করেন। শাক্য ও কোলিয়দের মধ্যে রোহিণী নদীর জল নিয়ে বিবাদের মীমাংসা করেন গৌতম বুদ্ধ। শ্রাবস্তীতে বৃদ্ধ কৃশা গৌতমীর শোক উপশম করে তাকে প্রব্রজ্যা গ্রহণে সাহায্য করেন। বুদ্ধ ধর্মপ্রচারের মাধ্যমে সেই সময়ের জাতিভেদ প্রথা দূর করেন। এভাবে সুদীর্ঘ পঁয়তাল্লিশ বছর বুদ্ধ বিভিন্ন নগর ও জনপদে ধর্মপ্রচারের মাধ্যমে মানব জাতির কল্যাণে নিয়োজিত ছিলেন। উদ্দীপকেও পৃথ্বী সাধারণের মঙ্গলের জন্য গৌতম বুদ্ধের মতো গৃহত্যাগী সন্ন্যাসী হন। গৃহত্যাগী বৌদ্ধ ভিক্ষু হিসেবে পৃথ্বীও বুদ্ধের মতো মানব জাতির কল্যাণে কাজ করেছেন।

উপর্যুক্ত আলোচনার পরিশেষে বলা যায়, মানবকল্যাণ সাধনে ইচ্ছা ও প্রচেষ্টার দিক দিয়ে পৃথ্বী ও সিদ্ধার্থ গৌতম উভয়েই নিজেকে নিয়োজিত্ত্ব করেছেন।

5 views

Related Questions