1 Answers

উদ্দীপকের পৃথ্বীর সাথে সিদ্ধার্থের সন্ন্যাস গ্রহণের মনোভাবের মিল রয়েছে।

বাল্যকাল থেকেই সিদ্ধার্থ গৌতম উদাসীন এবং ভাবুক প্রকৃতির ছিলেন। হলকর্ষণের ঘটনাগুলো দেখে তিনি উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেন। এজন্য জম্বুবৃক্ষের ছায়ায় বসে গভীর ধ্যানে মগ্ন হন। ব্রাহ্মণপুত্র বিশ্বমিত্রের কাছে তাঁর বিদ্যাশিক্ষা শুরু হয়। সেখানে তিনি অনন্য প্রতিভার পরিচয় দেন। সিদ্ধার্থ একদিন নগর ভ্রমণে বের হয়ে চারি নিমিত্ত দর্শন করে মানব জীবনের পরিণতি সম্যকভাবে উপলব্ধি করেন। তারপর থেকে তিনি সব সময়ই গভীর চিন্তায় মগ্ন থাকতেন। চারি নিমিত্ত দর্শনের মধ্যে তরুণ সন্ন্যাসীর গভীর ধ্যানমগ্ন দৃশ্যটি গৌতমের মনে দাগ কাটে। তাই তিনিও দুঃখ মুক্তির সন্ধানে গৃহত্যাগ করে সন্ন্যাস গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন। আষাঢ়ী পূর্ণিমা তিথিতে সিদ্ধার্থ গৌতম গৃহত্যাগ করে সন্ন্যাস গ্রহণ করেন।

উদ্দীপকে পৃথ্বী উচ্চ শিক্ষিত হওয়ার পরে মনে করেন, রাজনীতিবিদরা যথার্থ অর্থে জনসাধারণের মঙ্গলের জন্য কাজ করতে পারেন না। তবে সে ক্ষেত্রে বৌদ্ধ ভিক্ষুরাই সঠিক অর্থে সাধারণের মঙ্গলের জন্য কাজ করতে পারেন। এজন্য তিনিও সিদ্ধার্থ গৌতমের মতো গৃহত্যাগ করে সন্ন্যাস গ্রহণ করেন। এদিক থেকে পৃথ্বীর মনোভাবের সাথে সিদ্ধার্থের মিল পাওয়া যায়।

5 views

Related Questions