1 Answers
উদ্দীপকে যে মনীষী সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে, তিনি হলেন ইমাম গাযালি। মুসলিম সাধকের মধ্যে যে কয় জন ব্যক্তি তাঁদের যোগ্যতা ও বহুমুখী প্রতিভার বিকাশ ঘটিয়ে জ্ঞান-বিজ্ঞানের ইতিহাসকে সমৃদ্ধিশালী করে, তুলেছেন ইমাম গাযালি তাঁদের অন্যতম। তিনি ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন। সর্বশ্রেষ্ঠ সুফি দার্শনিক ইমাম গাযালি ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি সুফিবাদকে ইসলাম ধর্মে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন। তিনি ইসলামি অনুশাসনের দার্শনিক ব্যাখ্যা করেছেন। বিভিন্ন বিষয়ের ওপর তিনি অনেক মৌলিক গ্রন্থ রচনা করেছেন। 'ইহইয়াউ উলুম আদ-দীন' ইমাম গাযালির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ। মিনহাজ আল-আবিদীন, কিমিয়া-ই সাআদাত, তাহাফুত আল ফাআলাসিফা (দার্শনিকদের অসংগতি) তাঁর মৌলিক গ্রন্থগুলোর অন্তর্গত। এ গ্রন্থ রচনার মূলে তাঁর ধর্মীয় প্রেরণা ক্রিয়াশীল ছিল।
পরিশেষে বলা যায়, ইমাম গাযালির সর্বশ্রেষ্ঠ কৃতিত্ব হচ্ছে ইসলামে সুফিবাদকে মর্যাদা সহকারে প্রতিষ্ঠিত করা। তাঁর লেখনীতে মিস্টিসিজম বা মর্মবাদ এক অভিনব মহিমায় মহিমান্বিত হয়ে প্রস্ফুটিত হয়েছিল। জ্ঞান-বিজ্ঞানে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।