1 Answers

ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে নিজাম সাহেবের মানবকল্যাণমূলক কাজ করার সিদ্ধান্তটি নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় এবং মহত্তম। অভাবী ও দরিদ্র লোকের হক সম্পর্কে মহানবি (স.) বলেছেন, “ব্যক্তি যদি তার অভাবী ভাইয়ের অভাব পূরণ করে, তাহলে মহান আল্লাহ তার প্রয়োজন পূরণ করেন।”

মহান আল্লাহর সৃষ্টিকুলের মধ্যে মানবজাতি সর্বশ্রেষ্ঠ (আশরাফুল মাখলুকাত)। তিনি মানুষের জন্যই মহাবিশ্বের যা কিছু রয়েছে, তা সৃষ্টি করেছেন। মানবকল্যাণকে তাই সর্বশ্রেষ্ঠ সৎকর্ম হিসেবে গণ্য করা হয়। ইসলামে তার অসংখ্য দৃষ্টান্ত রয়েছে। মহানবি (স.) মানবকল্যাণে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন। তাঁর আদর্শ অনুসরণ  করে খুলাফায়ে রাশেদিন এবং সাহাবিগণও মানবকল্যাণকে নিজেদের সাধনার বিষয়বস্তুতে পরিণত করেছেন। মহানবি (স.) মানুষের কল্যাণ চিন্তাকে মুমিন হওয়া অনিবার্য শর্ত বলে ঘোষণা করেছেন। এ কল্যাণকামিতার প্রকাশ ঘটবে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজে। যেমন- অনাহারীর জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা, লেখাপড়া ও সুচিকিৎসা লাভের সুযোগ করে দেওয়া, যাতায়াতের জন্য রাস্তাঘাট তৈরি করা, সুন্দর পরিবেশের জন্য বৃক্ষরোপণ ইত্যাদি কাজের মাধ্যমে মানবকল্যাণ সাধন করা।

পরিশেষে বলা যায়, ইসলাম মানবকল্যাণের ধর্ম। নিজাম সাহেব মানবকল্যাণে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, ইসলামি শরিয়তে তা একটি ফরজ বা আবশ্যিক কাজ।

5 views

Related Questions