1 Answers
পেশা নির্বাচনে শিক্ষক জনাব ইসমাইল সাহেব সর্বশেষ যে উক্তিটি করেছেন তা হলো- "চাকরি বা ব্যবসায় যাই কর না কেন, তোমার উপার্জন যেন বৈধ হয়। সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।”
শিক্ষকের এ উক্তিটি নিঃসন্দেহে প্রশংসার যোগ্য। কারণ সাম্প্রতিক সময়ে সৎভাবে থাকা বা বৈধ উপার্জন করা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসময়ে পেশা বড় কথা নয়, বড় কথা হলো বৈধ উপার্জন করা। অতএব, আমাদের দৃষ্টি রাখতে হবে চাকরি-বাকরি, ব্যবসায় বাণিজ্য ছাড়াও হালাল উপার্জনের যেকোনো উপায়ের দিকে। সেটি হতে পারে পশুপালন, হাঁস-মুরগির খামার, মৎস্য চাষ, বৃক্ষরোপণ, ছোটবড় মাঝারি ধরনের নার্সারি, কুটির শিল্প ইত্যাদির মাধ্যমে। এতে যেমন আত্মকর্মসংস্থান ও হালাল উপার্জনের ব্যবস্থা হয়, তেমনি দেশেরও উন্নতি হয়।
হালাল বা বৈধ উপার্জনে মানুষের কল্যাণ নিহিত। পক্ষান্তরে, হারাম। উপার্জনে রয়েছে অকল্যাণ। আল্লাহ পাক মানুষ সৃষ্টি করেছেন তাঁর। ইবাদতের জন্য আর অন্য সবকিছু সৃষ্টি করেছেন মানুষের। উপকারের জন্য। আল্লাহর ইবাদত করা যেমন মানুষের কর্তব্য, তেমনি হালাল উপার্জন বা হালাল রুষি অন্বেষণ করাও মানুষের একান্ত কর্তব্য। এ প্রসঙ্গে মহানবি (স.) বলেন,
قلبُ كَسْبِ الْحَلَالِ فَرِيضَةٌ بَعْدَ الْفَرِيضَةِ
অর্থ : "হালাল রুযি অন্বেষণ করা ফরজের পরেও একটি ফরজ।"