1 Answers

রাবেয়া একজন চাকরিজীবীর স্ত্রী। তার পরিবারে কোনো কাজের লোক নেই। তিনি নিজ হাতে রান্নাবান্না থেকে শুরু করে ঘরদোর পরিষ্কার, সন্তানদের সেবাযত্ন সবই করে থাকেন। রাবেয়া জনৈক প্রতিবেশীর প্রশ্নের জবাবে বলেন, মুসলিম মনীষীদের পরিবারে কোনো 'কাজের লোক' ছিল না, তারা নিজেরাই নিজেদের পারিবারিক কাজ করতেন। রাবেয়া বিশ্বাস করেন সততার সাথে অনাড়ম্বর জীবনযাপন করা, অসৎ উপার্জনের বিলাসী জীবনের চেয়ে উত্তম। আমরা হযরত ফাতিমা (রা.)-এর যে চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের সাথে রাবেয়ার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের মিল খুঁজে পাই-

১. অনাড়ম্বর জীবনযাপন: হযরত ফাতিমা (রা.) অনাড়ম্বর জীবনযাপন করতেন। নানারকম দুঃখ-কষ্ট সত্ত্বেও তিনি কখনো ধৈর্যহারা হতেন না। বরং আত্মতৃপ্তিতে সর্বদা সমুজ্জ্বল থাকতেন। সন্তান পালন, স্বামীর সেবাসহ সংসারের সব কাজ তিনি নিজ হাতে করতেন। তাঁর কোনো দাসদাসী ছিল না। কোনো জাঁকজমক তিনি পছন্দ করতেন না, একেবারে সাদাসিধে চলতেন। আর এক্ষেত্রে রাবেয়ার সাথে হযরত ফাতিমা (রা.)-এর মিল খুঁজে পাই।

২. সত্যনিষ্ঠা : হযরত ফাতিমা (রা.) আজীবন সত্যের প্রতি অবিচল ছিলেন। সত্যনিষ্ঠা তাঁর চরিত্রের অনন্য নিদর্শন। আমরা রাবেয়ার মাঝে সত্যনিষ্ঠার পরিচয় পাই।

৩. আল্লাহর প্রতি নির্ভরশীলতা: হযরত ফাতিমা (রা.) একজন মুত্তাকী, পরজেহগার নারী ছিলেন। শত অভাবের মাঝে আল্লাহর ওপর নির্ভরশীল হয়ে তাঁর পক্ষ থেকে সমাধানের আশায় দিনের পর দিন অনাহারে কাটাতেন। আমরা রাবেয়ার মাঝেও আল্লাহর প্রতি নির্ভরশীলতা গুণের সমাবেশ দেখতে পাই।

 

5 views

Related Questions