1 Answers

উদ্দীপকের বশিরের মায়ের সাথে 'পল্লিজননী' কবিতার শিশুটির মায়ের বৈসাদৃশ্য হলো আর্থিক অবস্থার। 

সন্তানের প্রতি মায়ের স্নেহ-ভালোবাসার অন্ত নেই। মা নিজের জীবনের চেয়েও সন্তানকে বেশি ভালোবাসেন। সন্তানের সুখ-দুঃখই তার চিন্তা। সন্তান অসুস্থ হলে মায়ের চিন্তার সীমা থাকে না। দিন-রাত জেগে সন্তানের সেবা করেন।

'পল্লিজননী' কবিতায় অসুস্থ ছেলেকে ঘিরে পল্লিমায়ের উৎকণ্ঠা তুলে ধরা হয়েছে। দরিদ্র মায়ের সন্তান ভীষণ অসুস্থ। তার অবস্থা ক্রমেই সঙ্গিন হয়ে পড়ছে। অথচ মা টাকার অভাবের কারণে ছেলের চিকিৎসা করাতে পারছেন না। সন্তানের জন্য তিনি ওষুধ-পথ্য কোনো কিছুরই ব্যবস্থা করতে পারেননি। যার ফলে ক্ষণে ক্ষণে তার মন হাহাকার করে ওঠে। অন্যদিকে উদ্দীপকের বশিরের মায়ের আর্থিক অবস্থা ভালো। টাকার অভাব নেই বলে শহরের নামি হাসপাতালে সন্তানের চিকিৎসা করাচ্ছেন। তবুও সন্তানের জন্য তিনি। অস্থির। তাই আমরা বলতে পারি যে, উদ্দীপকের বশিরের মায়ের সাথে 'পল্লিজননী' কবিতার শিশুটির মায়ের বৈসাদৃশ্য হলো আর্থিক অবস্থার।

5 views

Related Questions