1 Answers
উদ্দীপকের অহনাকে হাসপাতালে ভর্তির সঙ্গে কবিতার বৈসাদৃশ্য 'পল্লিজননী' কবিতায় মায়ের দারিদ্র্যের কারণে অসুস্থ সন্তানকে প্রয়োজনীয় খাদ্য ও চিকিৎসা দিতে না পারার দিক থেকে।
মানুষের মৌলিক অধিকার হচ্ছে অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা, চিকিৎসা, বাসস্থান ইত্যাদি লাভ করা, অথচ অনেক ক্ষেত্রেই মানুষ এসব থেকে বঞ্চিত থাকে। তারা তাদের জীবনধারণের সামান্য সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হয়।
উদ্দীপকে বিত্তশালী পরিবারের সন্তানকে দামি হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে। এখানে অহনা ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলে তার মা তাকে একটি আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করান। তারপরও তার ভয় কাটে না। পাশে কয়েকজন শিশুকে মারা যেতে দেখে তিনি উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠেন। আল্লাহর কাছে অহনার রোগমুক্তির জন্য প্রার্থনা করেন। এই বিষয়টি 'পল্লিজননী' কবিতার মায়ের সঙ্গে বৈসাদৃশ্যপূর্ণ। 'পল্লিজননী' কবিতা মা রুগ্ণ পুত্রের শিয়রে বসে রাত জাগে। এই কবিতায় তার মনঃকষ্ট, পুত্রের চঞ্চলতা এবং দারিদ্র্যের কারণে তাকে প্রয়োজনীয় খাদ্য ও চিকিৎসা দিতে না পারার ব্যর্থতা প্রকাশ পেয়েছে। পুত্রের শিয়রে নিবু নিবু প্রদীপ, চারিদিকে মশার অত্যাচার, বেড়ার ফাঁক দিয়ে শীতের হীমেল হাওয়া প্রবেশ করে। এখানেও উদ্দীপকের সাথে 'পল্লিজননী' কবিতার পার্থক্য বিদ্যমান।