1 Answers
উদ্দীপকটি 'পল্লিজননী' কবিতায় প্রতিফলিত দারিদ্র্যের দিকটির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
দারিদ্র্য মানুষের মৌলমানবিক চাহিদা পূরণের অন্তরায়। অভাবের কারণে পিতা-মাতা সন্তানের এবং সন্তান পিতা-মাতার প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করতে পারে না। প্রিয়জনকে কেবল আশার বাণী শোনানো ছাড়া তারা আর কোনো সান্ত্বনা দিতে পারে না।
উদ্দীপকে অভাবের কারণে ঈদে প্রিয়জনকে কিছু দিতে না পারার ব্যর্থতা স্বীকার করে আগামী ঈদে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি তুলে ধরা হয়েছে। ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও দারিদ্র্যের কশাঘাতে জর্জরিত বলে উদ্দীপকের ব্যক্তি তার প্রিয়জনকে কিছু দিতে পারে না। উদ্দীপকের দারিদ্র্যের এই বিষয়টি 'পল্লিজননী' কবিতায় প্রতিফলিত দারিদ্র্যের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। এখানে দারিদ্র্যের কারণে মা তার পুত্রের কোনো আবদার পূরণ করতে পারে না। তাকে ঠিকমতো খাবার দিতে পারে না। মেলায় যেতে চাইলে নানা রকমের বিধিনিষেধের কথা বলে ভুলিয়ে রাখে।