1 Answers

উদ্দীপকটি 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতার গ্রামীণ পরিবেশের বিভিন্ন অনুষঙ্গের দিকটির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। 

জন্মভূমির প্রতি মানুষের ভালোবাসা চিরন্তন। জন্মভূমির মধ্যে শিকড় গেড়েই মানুষ সমগ্র বিশ্বকে জানতে চায়। জন্মভূমির প্রতি ভালোবাসার প্রকাশ ভিন্ন ভিন্ন হলেও অনুভূতির জগতে তা অভিন্ন। স্বদেশের প্রকৃতি মানুষের অস্তিত্বের সঙ্গে গভীরভাবে মিশে থাকে।

উদ্দীপকের কবিতাংশে জন্মভূমির প্রতি কবির গভীর অনুরাগ ও ভালোবাসা প্রকাশ পেয়েছে। এখানে কবি তাঁর জন্মভূমির শোভা ও রূপবৈচিত্র্যের ইঙ্গিত করেছেন। এ দিকটি 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতার গ্রামীণ প্রকৃতি ও পরিবেশের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। উদ্দীপকে কবি তাঁর গাঁয়ের কাছে এলেই সব শান্তি খুঁজে পান। কারণ সেখানে তাঁর বাবার স্নেহ, মায়ের আদর মাখানো আছে। এই অনুভূতি 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায়ও প্রকাশ পেয়েছে। কবি মনে করেন এদেশের প্রকৃতি তাঁর অস্তিত্বের সঙ্গে গাঁথা। এদেশের আসমান, জমিনের ফুল, জোনাকি, পুকুর, মাছরাঙা, ধানখেত এ সবকিছুই কবির অতি আপন এবং চিরচেনা। এভাবে জন্মভূমি ও জন্মভূমির প্রকৃতির সঙ্গে গভীর সম্পর্কের দিক থেকে উদ্দীপক এবং 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতা পরস্পর সাদৃশ্যপূর্ণ।

5 views

Related Questions