1 Answers
উদ্দীপকটি 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় বর্ণিত জন্মভূমির সঙ্গে কবির গভীর বন্ধনের দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ।
জন্মভূমির সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। জন্মভূমির মধ্যে দৃঢ়ভাবে শিকড় গেড়েই মানুষ তার সমগ্র দেশকে আপন করে পায়। জন্মভূমির দানে ও রূপে মুগ্ধ হয়। জন্মভূমির প্রতি মানুষের সেই মুগ্ধতার প্রকাশ ভিন্ন ভিন্ন হলেও অনুভূতির জগতে তা অভিন্ন।
উদ্দীপকে জন্মভূমি বাংলাদেশকে সমগ্র সত্তা দিয়ে অনুভব করার বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে। সেমিটিক পুরাণে বর্ণিত পৃথিবীর মহাপ্লাবনের সময় মানুষ যেমন কিস্তিতে চড়ে রক্ষা পেয়েছিল, তেমনই এদেশের আলো-বাতাস, মাটি, প্রকৃতি মানুষকে রক্ষা করে; পরস্পরকে স্নেহের বাঁধনে বেঁধে শান্তির বার্তা বয়ে আনে। উদ্দীপকের এ বিষয়টি 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতার জন্মভূমির প্রতি কবির গভীর ভালোবাসার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। কবিতায় কবি নিজেকে জন্মভূমির সন্তান বলে দাবি করেছেন। এতে জন্মভূমির প্রতি তাঁর গভীর অনুভবটি প্রকাশ পেয়েছে। জন্মভূমির প্রকৃতি, পরিবেশ, পাখি, কার্তিকের ধানখেত, টলমল শিশিরই শুধু নয়, গ্রামীণ জনপদের মানুষকেও কবি চেনেন। কবির এই পরিচয়ের দিকটি স্বদেশপ্রেমের সঙ্গে সম্পৃক্ত, যা উদ্দীপকে ফুটে উঠেছে।