1 Answers

উদ্দীপকে ফুটে ওঠা চিত্রের সাথে 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতার সাদৃশ্যের দিকটি হলো এদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। 

বাংলাদেশ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক লীলানিকেতন। প্রকৃতি যেন নিজ হাতে সাজিয়েছে এ দেশকে। চারদিকে সবুজের সমারোহ। ছবির মতো সারি সারি গ্রাম, সর্পিল নদী, দিগন্তবিস্তৃত ফসলের মাঠ, বনবনানী, পাখির ডাক সব মিলিয়ে মনোমুগ্ধকর এক দেশ।

উদ্দীপকে বাংলার সবুজ প্রকৃতির প্রতি কবির গভীর অনুরাগ প্রকাশ পেয়েছে। জলাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলায় সন্ধ্যার বাতাসে গুবরে পোকার উড়ে যাওয়া, রাতে শিমুলের ডালে পেঁচার ডেকে ওঠা, উঠানে শিশুর খইয়ের ধান ছড়িয়ে দেওয়া, রূপসার ঘোলা জলে ছেঁড়া পালে কিশোরের নৌকা বাওয়া, সাদা বকের মেঘের কোল ঘেঁষে নীড়ে ফেরা ইত্যাদি বাংলার রূপময় প্রকৃতিকে নির্দেশ করেছে। 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতাও অনুরূপ প্রকৃতির বর্ণনা আছে। জমিনের ফুল, জোনাকি, পুকুর, মাছরাঙা পাখি, কার্তিকের ধান, নদীর কিনার, গ্রামীণ জনপদ, গ্রামের সাধারণ মানুষ প্রভৃতি কবির অস্তিত্বের সঙ্গে মিশে আছে। এভাবে উদ্দীপকে ফুটে ওঠা চিত্রের সঙ্গে কবিতার সাদৃশ্য বিদ্যমান।

4 views

Related Questions