1 Answers
উদ্দীপকে 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতার প্রকৃতি ও জন্মভূমির সঙ্গে মানুষের অবিচ্ছেদ্য সম্পর্কের দিকটি প্রকাশ পেয়েছে।
মানুষ আপন জন্মভূমি ও তার আলো-বাতাসে বেড়ে ওঠে, যা তার অস্তিত্বের সঙ্গে মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়। সে যত বড়ই হোক আর যত দূরেই থাক, জন্ম-মাটির মাঝেই সে তার অস্তিত্বকে খুঁজে ফেরে। নিজেকে প্রকাশ করতে সে জন্মভূমির অবদানের কথা গৌরবের সঙ্গে ঘোষণা করে।
উদ্দীপকের কবিতাংশে কবি আপন সত্তাকে জন্মভূমির মাটি ও মানুষের সঙ্গে মিশিয়ে নিয়েছেন। আপন দেশের মাটি ও মানুষের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে খ্যাতি অর্জন করতে চেয়েছেন এবং এটাই যেন তাঁর শেষ পরিচয় হয় সেই কামনা করেছেন। উদ্দীপকের এ বিষয়টি 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতার কবির চেতনাকে প্রতীকায়িত করেছে। কবি নিজেকে কোনো আগন্তুক হিসেবে প্রকাশ করতে চাননি। কারণ এদেশের প্রতিটি বস্তুতে তাঁর সত্তা মিশে রয়েছে। তিনি আসমান, জমিনের ফুল, মাছরাঙা সবকিছুকে চেনেন। তিনি কদম আলী, জমিলার মায়ের মতো মানুষের চিরচেনা স্বজন। তিনি এই জনপদের মানুষকেও ভালোভাবে চেনেন। জন্মভূমির প্রতি এই গভীর সম্পর্কের বিষয়টির সঙ্গে উদ্দীপকটি সাদৃশ্যপূর্ণ।