1 Answers
উদ্দীপকটি 'মানুষ' কবিতার মানবিক দিকটির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। ধর্মকে পুঁজি করে যারা আত্মস্বার্থে মগ্ন হয়, তারা মানবতার শত্রু।
মুখে ধর্মের কথা বললেও তারা হীন উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য মানবতাবিরোধী কাজ করে, যা স্রষ্টার কাছে গ্রহণীয় নয়। কাজেই নিজের স্বার্থের জন্য মানবতাবিরোধী কাজ করা উচিত নয়।
উদ্দীপকের কবিতাংশে মানবকল্যাণে আত্মনিয়োগ করে মানবতার প্রতি যথার্থ শ্রদ্ধা নিবেদনের দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। এখানে প্রধান প্রধান ধর্মের প্রচারকদের মানবকল্যাণে আত্মনিয়োগ করে জগতে শান্তি স্থাপনের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। একজন মানুষ তার জীবনে বিভিন্ন বয়সে নানা সমস্যা-সংকটের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যায়। শৈশব, কৈশোর, যৌবন পার হয়ে বার্ধক্যে উপনীত হতে হতে তাকে নানা ঘাত- প্রতিঘাত সহ্য করতে হয়। তবু তারা ন্যায়ধর্ম, সত্যব্রত পরিহার করে না। মহামানবের মানবতাবোধ তাদের অনুপ্রাণিত করে। উদ্দীপকের এই বিষয় 'মানুষ' কবিতায় প্রতিফলিত মানবতাবোধের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আলোচ্য কবিতায় কবি মানুষের 'মানুষ' পরিচয়কেই বড় করে তুলেছেন। সেখানেও বিশেষ কোনো ধর্ম নয়, মানুষের জীবনে শান্তির জন্য মানবতার সত্য ও ন্যায়ধর্মকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।