1 Answers

উদ্দীপকটি 'মানুষ' কবিতার মানবতাবোধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ। 

এই পৃথিবী জাতি-ধর্ম-নির্বিশেষে সব মানুষেরই বাসভূমি। এখানে সবাই একই চন্দ্র-সূর্যের আলোয় আলোকিত। পৃথিবীর সমস্ত মানুষের মধ্যে ক্ষুধা- তৃষ্ণার অনুভূতিও অভিন্ন। তবু মানুষ ধর্ম-বর্ণের দোহাই দিয়ে মানুষে মানুষে ভেদ বিবেচনা করে, বিবাদ সৃষ্টি করে হীন মানসিকতার পরিচয় দেয়।

উদ্দীপকের কবিতাংশে দীপ্ত প্রতিভার আহ্বানে আত্মপর ভেদ ভুলে পরস্পরের সঙ্গে বন্ধন গড়ে তুলে শান্তি প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে। কারণ কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধপর্ব মানুষের শান্তির অন্তরায়। মানুষের মধ্যেই শুধু উঁচু-নিচু বা জাতিভেদ বৈষম্য লক্ষ করা যায়, কিন্তু স্রষ্টার কাছে কোনো ভেদ বিবেচনা নেই, তাঁর কাছে সবাই সমান। উদ্দীপকের আত্মপর ভেদ না থাকার এ বিষয়টি 'মানুষ' কবিতার মানবতাবোধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার দিকটির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। এ কবিতায় কবি সাম্যবাদের দৃষ্টিতে পৃথিবীর সব মানুষকে এক ও অভিন্ন বিবেচনা করেছেন। তাঁর কাছে জাতি-ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে মানুষের প্রকৃত পরিচয়- সে মানুষ। উদ্দীপকের কবিতাংশে জাতি-ধর্ম- বর্ণের বৈষম্য দূর করার প্রার্থনা করা হয়েছে, যা 'মানুষ' কবিতার অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক চেতনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

6 views

Related Questions