1 Answers

অন্যের কল্যাণের জন্য নিজের সুখ বিসর্জন দেওয়ার দিক থেকে উদ্দীপকটি 'রানার' কবিতা সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। 

মানুষ জীবিকা নির্বাহের জন্য নানা রকম কাজ করে, নানা পেশায় জড়িত হয়। এক্ষেত্রে নিম্ন শ্রেণি-পেশার লোকেরা তাদের যথাযথ দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিজেদের সুখের কথা ভুলে যায়। কিন্তু যারা সুখে থাকে তারা তাদের দুঃখ বুঝতে চায় না।

উদ্দীপকের কবিতাংশে কবি মানুষের কল্যাণে আত্মনিবেদন করে নিজে সুখ, সচ্ছলতা ও আনন্দ থেকে বঞ্চিত মানুষের করুণ দিকটির কথা বলেছেন। এখানে বাতিওয়ালা সন্ধ্যায় রাজপথে বাতি জ্বালিয়ে আলোকিত করলেও তার ঘরে যে বাতি জ্বালানোর সামর্থ্য তার নেই সেই অসহায়ত্বের দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। এই করুণ দিকটি 'রানার' কবিতার অন্যের কল্যাণে রানারের আত্মনিবেদন এবং নিজের জীবনের করুণ অবস্থার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। উদ্দীপকের বাতিওয়ালার ঘরে যেমন দুঃসহ অন্ধকার জমে থাকে, 'রানার' কবিতার রানারের ঘরও অনুরূপ। রানার নিজের কষ্টগুলো দূরে সরিয়ে রেখে অপরের সুখের কথা চিন্তা করে। নিজের ক্লান্তি তার কাছে বড় মনে হয় না। কারণ সে মানুষের কল্যাণে, মানুষের প্রয়োজনে কাজ করে। উদ্দীপকের বাতিওয়ালা এবং কবিতার রানারের জীবনের সাদৃশ্য এখানেই।

7 views

Related Questions