1 Answers

উদ্দীপকটি 'পল্লিজননী' কবিতায় বর্ণিত রুগ্ধ ছেলের শিয়রে বসা পল্লিজননীর স্মৃতিতে ভেসে ওঠা সুস্থ অবস্থায় তার ছেলের আবদার, দুষ্টুমির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

মায়ের কাছে তার সন্তান অমূল্য ধন। সন্তানের জন্য মায়ের মন-প্রাণ সবসময় ব্যাকুল থাকে। সন্তানের অসুখে মায়ের মন দুঃখে ভারাক্রান্ত হয়ে পড়ে। সন্তানের কষ্টে তিনি যন্ত্রণাকাতর হন। সন্তান যখন সুস্থ ছিল তখন সে কী আবদার করত, মায়ের বারণ সত্ত্বেও কী কী করত, সেসব কথা মায়ের স্মৃতিতে তখন ভেসে ওঠে।

উদ্দীপকে শিশুপুত্রের মায়ের সঙ্গে তার স্বপ্ন-কল্পনার কথা বলার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে সে কীভাবে ফুলের খেলা-শেষে ঝরে পড়ে আবার মায়ের খোকা হয়ে যাবে সেই বিষয়টি বর্ণনা করা হয়েছে। তখন মা তাকে দুষ্টু ছেলে বলে সে এতক্ষণ কোথায় ছিল তা জানতে চাইবে। ছেলেটি তখন মাকে তা না জানিয়ে তার কাছে গল্প শুনতে চাইবে। উদ্দীপকে বর্ণিত মা-ছেলের এই ভাব-কল্পনার সঙ্গে 'পল্লিজননী' কবিতায় বর্ণিত ছেলের সুস্থ থাকার সময়কার স্মৃতিচারণ সাদৃশ্যপূর্ণ। কারণ উদ্দীপকের ছেলের মতোই রুগ্ধ ছেলেটি সুস্থ থাকাকালে তার মায়ের কাছে নানা আবদার করেছে তখন। মা তার গভীর স্নেহে সেসব মেনে নিয়েছে।

4 views

Related Questions