1 Answers

উদ্দীপকের সাথে 'পল্লিজননী' কবিতার সাদৃশ্যের দিকটি হলো দারিদ্র্যপীড়িত মানুষের জীবনচিত্র। 

দারিদ্র্য মানবজীবনে অভিশাপস্বরূপ। দরিদ্রতার কারণে মানুষ তার মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণে ব্যর্থ হয়। এর ফলে খাদ্য ও চিকিৎসার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় থেকেও মানুষ বঞ্চিত থাকে। দরিদ্রতার কারণে মানুষের জীবনে অন্ধকার নেমে আসে।

'পল্লিজননী' কবিতায় কবি জসীমউদ্দীন এক দরিদ্র পল্লিমায়ের কষ্টময় জীবনের বর্ণনা দিয়েছেন। দরিদ্র মায়ের আদরের একমাত্র সন্তানটি অসুস্থ। তার জন্য মা ওষুধ-পথ্য জোগাড় করতে পারেন না। এমনকি ছেলের আড়ঙে যাওয়ার আবদারও তিনি পূরণ করতে পারেননি। উদ্দীপকেও ঠিক এমনই দরিদ্রতার ছবি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ভেন্নাপাতার ছাউনি দেওয়া কুঁড়েঘরে আসমানিদের বাস। না খেতে পেয়ে আসমানির বুকের হাড় বেরিয়ে পড়েছে। দিনের পর দিন রহিমুদ্দির বাড়ির লোকজন পেটভরে খেতে পায় না। ভেন্নাপাতায় ছাওয়া ঘর দিয়ে বৃষ্টির পানি গড়িয়ে পড়ে। উদ্দীপকের আসমানি ও 'পল্লিজননী' কবিতার জননী উভয়ের জীবনই দরিদ্রতার অভিশাপে জর্জরিত। তারা উভয়েই দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়াই করে বেঁচে আছে। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের সাথে আলোচ্য কবিতার সাদৃশ্যের দিকটি হলো দারিদ্র্যপীড়িত জীবনচিত্র।

6 views

Related Questions