1 Answers
উদ্দীপকটির সঙ্গে 'পল্লিজননী' কবিতার দারিদ্র্যের দিকটির মিল রয়েছে।
অভাব মানুষের স্বাভাবিক বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করে। এদেশের অধিকাংশ মানুষ তাদের মৌল-মানবিক চাহিদা পূরণ করতে পারে না। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে অনেক মানুষ আছে যারা অত্যন্ত গরিব। তারা ক্ষুধার অন্ন জোগাতে পারে না এবং চিকিৎসা করাতে না পেরে ধুকে ধুকে মরে।
উদ্দীপকে এক দরিদ্র পরিবারের করুণ চিত্র প্রতিফলিত হয়েছে। এখানে মাকে ঘিরে ক্ষুধাতুর দুটি অবুঝ শিশু সকরুণ সুরে কান্না করছে। ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও মা তাদের মুখে খাবার তুলে দিতে পারছে না। দুঃখিনী মা সন্তানদের ভুলিয়ে রাখতে হাঁড়িতে শুধু পানি দিয়ে মিছামিছি খাবার রান্না করার কথা বলে। সন্তানের ক্ষুধার কষ্ট, কান্না দেখে তাদের সঙ্গে মাও কান্না করে। উদ্দীপকের এ দারিদ্র্যের চিত্রটি 'পল্লিজননী' কবিতার পল্লিমায়ের দুঃখ-দারিদ্র্যের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। কবিতায় পল্লি মা-ও অভাবের কারণে ছেলের ছোটখাটো আবদার পূরণ করতে পারেনি। ছেলে মেলায় যেতে চাইলে মা তাকে 'মোসলমানের আড়ঙ দেখিতে নাই' বলেছে। অভাবের কারণে মা অসুস্থ ছেলের চিকিৎসা করাতে পারে না এবং পথ্য জোগাড় করতে পারে না।