1 Answers

পৃথিবীজুড়ে আনন্দের ধারা প্রবাহিত হচ্ছে যা মানবমনকেও আনন্দপিপাসু করে তুলছে- উদ্দীপকের এই ভাবটিই 'ঝরনার গান' কবিতাটির ভাবার্থের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

নৈসর্গিক প্রকৃতি, মনোলোভা চিত্রকর্ম, সুরেলা সংগীত, ধ্বনিমাধুর্যময় কবিতা মানুষকে আনন্দিত করে তোলে। মানুষের মধ্যে সেই আনন্দের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। মানুষের মননে-মগজে-সর্বাঙ্গে সেই আনন্দের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। তখন মানুষ আনন্দিত হয়ে ওঠে, আন্দোলিত হয়, নতুন কোনো সৌন্দর্য সৃষ্টিতে নিবেদিত হওয়ার তাড়না অনুভব করে।

'ঝরনার গান' কবিতাটিতে ঝরনার পুলকের অন্তরালে মূলত কবির আনন্দময় চেতনারই প্রকাশ ঘটেছে। কবি নীরব-নির্জন-নৈসর্গিক প্রকৃতি অবলোকন করে মুগ্ধ। ঝরনার বয়ে চলার মাঝে কবি সংগীত শুনতে পান, নৃত্যের ঝংকার অনুভব করেন। সেই আনন্দময় অনুভব থেকেই তিনি কবিতা রচনা করে যান। অন্যদিকে উদ্দীপকে কবির এ আনন্দময় অনুভব থেকেই যে তাঁর নান্দনিক সৃষ্টিকর্মের সূচনা, এখানে সেই দিকটিই উদ্ভাসিত হয়েছে। আনন্দধারা ভুবনময় বইছে। সব মানুষই আনন্দপিপাসু। তবে যারা আনন্দকে উপভোগ করতে পারে তারাই হয়ে উঠতে পারে সৃষ্টিশীল। আনন্দ প্রকাশই একেকটি মহৎ ও নান্দনিক শিল্পকর্ম। 'ঝরনার গান' কবিতার ভাবই হলো মানবমনে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বহিঃপ্রকাশ। উদ্দীপকটিতেও মানবমনের সৌন্দর্য চেতনার দিকটিই ফুটে উঠেছে। সুতরাং পূর্বোল্লিখিত ভাবটিই উদ্দীপকটিকে 'ঝরনার গান' কবিতার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ করে তুলেছে।

4 views

Related Questions