1 Answers

উদ্দীপকের সঙ্গে 'ঝরনার গান' কবিতার রূপসৌন্দর্যের দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ। বাংলাদেশের প্রকৃতি অপূর্ব সুন্দর। 

সবুজ-শ্যামল মাঠ, নদীতে নৌকা, তীরে কাশফুল, মাথার উপরে নীল আকাশ, বন-বনানী, নদী- সাগর, পাহাড়-পর্বত, পাহাড়ের বুক চিরে বয়ে যাওয়া ঝরনা প্রভৃতি আমাদের মুগ্ধ করে।

উদ্দীপকে পলাশ সাহেবের গড়ে তোলা উদ্যানের সৌন্দর্য বর্ণনা করা হয়েছে। প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যই মানুষের মনে সৌন্দর্যবোধ জন্ম দেয়। প্রকৃতির তুলিতে যে চিত্র ফুটে ওঠে তা-ই মানুষকে শিল্পসৃষ্টিতে অনুপ্রাণিত করে। তাই শিল্পীর নিজের খেয়ালে সাজানো প্রকৃতির সৌন্দর্য তার একার নয়, তা সব মানুষের আনন্দের উৎস। উদ্দীপকের এ সৌন্দর্য 'ঝরনার গান' কবিতার ঝরনার সৌন্দর্যের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। পাহাড়িকন্যা ঝরনা সমস্ত নীরবতা ভেঙে ছন্দময় শব্দে চঞ্চল ছুটে চলে পাখির ডাকহীন দুপুরে, স্তব্ধ পাথরের বুকে আনন্দচিহ্ন রেখে। চমৎকার তার ধ্বনিমাধুর্য। গিরি থেকে পতিত জলরাশি পাথরের বুকে আঘাত করে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। ঝরনার এ মনোহর সৌন্দর্য সবাইকে মুগ্ধ করে। এভাবে উদ্দীপক ও 'ঝরনার গান' কবিতার রূপসৌন্দর্য পরস্পর সাদৃশ্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

5 views

Related Questions