1 Answers
উদ্দীপকটির সাথে 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে এদেশের সাধারণ জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন-সংগ্রামের দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ।
যুগে যুগে ভিনদেশি, বিভাষী, বিজাতীয়রা এদেশে নানা রকম শোষণ, অত্যাচার চালিয়েছে। এদেশের মাটিতে যে সোনার ফসল ফলে তা তাদের এখানে টেনে এনেছে। তারা যথাসময়ে লোভ-লালসা চরিতার্থ তথা এদেশের সম্পদ আহরণ করে আবার ফিরে গেছে। কিন্তু এবার বাঙালি নিজেদের অধিকার আদায়ের দাবিতে সোচ্চার হয়ে উঠেছে।
উদ্দীপকে পাঁচজন মুক্তিযোদ্ধা প্রায় চার ঘণ্টা ধরে পাহারারত অবস্থায় রয়েছে। তারা রাস্তার ধারে ঝোপের আড়ালে অবস্থান নিয়েছে। তারা সতর্ক হয়ে পুল পাহারা দিচ্ছে। কারণ এই পুল দিয়েই পাশের গ্রামে যাবে পাক হানাদাররা। তাদের পরিকল্পনা মোতাবেক পুলের নিচে বোমা পুঁতে রেখেছে তারা। হানাদাররা পুলে ওঠা মাত্রই পুলটিকে উড়িয়ে দেবে তারা। অন্যদিকে, 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায় পাকিস্তানি বাহিনীর যুদ্ধবাজদের নির্মম অত্যাচার, হত্যা, ধ্বংসলীলা, ধর্ষণ উপেক্ষা করে এদেশের মানুষ তাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে স্বাধীনতা অর্জনের জন্য। এ দিক থেকে উদ্দীপক ও 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার মূল লক্ষ্য এক ও অভিন্ন। এভাবেই উদ্দীপক ও কবিতা পরস্পর সাদৃশ্যপূর্ণ।