1 Answers

উদ্দীপকে 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার স্বাধীনতার জন্য ত্যাগ স্বীকারের দিকটির প্রতিফলন ঘটেছে। 

যুগে যুগে ভিনদেশি শাসক ও শোষকরা নানাভাবে এদেশের মানুষের ওপর নির্মম নির্যাতন চালিয়েছে। এদেশের মানুষ তাদের সেই অত্যাচারের প্রতিবাদ করেছে এবং প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। অবশেষে বাঙালিরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে শত্রুসেনাদের পরাজিত করে এই দেশ স্বাধীন করেছে।

উদ্দীপকে স্বাধীনতার জন্য এদেশের মানুষের আত্মত্যাগের মহান দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। এখানে স্বাধীনতা যুদ্ধে ভাই-বোনের আত্মত্যাগের কথা বলা হয়েছে। এ বিষয়টি 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায় বর্ণিত এদেশের স্বাধীনতার জন্য বাঙালির আত্মত্যাগের দিকটির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হাদানার বাহিনী এদেশের নিরীহ মানুষের ওপর নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালায়। এদেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তোলে। দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধ করে অবশেষে মুক্তিযোদ্ধারা এদেশ স্বাধীন করেছে। লাখ লাখ মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাঙালি স্বাধীন জাতি হিসেবে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। উদ্দীপকের কবিতাংশেও এ আত্মত্যাগের কথা বলা হয়েছে।

6 views

Related Questions