1 Answers

উদ্দীপকের লাইনগুলোর সঙ্গে 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায় অমিল রয়েছে। 

১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী এদেশের নিরীহ মানুষের ওপর নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালায়। তারা জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে ছাই করে দিয়েছিল গ্রাম-গঞ্জ-শহর। অবশেষে এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয় বাংলার স্বাধীনতা।

উদ্দীপকের কবিতাংশে শত্রুসেনার বর্বরোচিত অত্যাচার ও হত্যাযজ্ঞের দিকটি তুলে ধরা হয়েছে। একটি বধূর সংসার উজাড়ের হাহাকার থামতে না থামতেই আর এক বধূর বুক খাঁ খাঁ গোরস্তান হয়ে যায়। একজন পিতার হাত থেকে কবরের কাঁচামাটি ঝরে পড়তে না পড়তেই আরেক পিতার বুকে আশ্রয় নেওয়া সন্তানের গুলিবিদ্ধ লাশ নামাতে হয় কবরে। এই বর্ণনার সঙ্গে 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার অমিল রয়েছে। এ কবিতায় কবি স্পষ্টভাবে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ঘৃণ্য কর্মকাণ্ডের ছবি তুলে ধরেছেন। এখানে স্বাধীনতাকে পাওয়ার জন্য এদেশের মানুষের সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারের দিকটি তুলে ধরা হয়েছে। স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য সাকিনা বিবির সম্ভ্রম হারানো, হরিদাসীর সিঁথির সিঁদুর মুছে যাওয়া, ছাত্রাবাস-বস্তি উজাড় হওয়া, মুক্তিসেনাদের প্রতিরোধ ইত্যাদি বিষয় প্রতিফলিত হয়েছে এ কবিতায় এসব বর্ণনা উদ্দীপকে নেই। এখানেই উদ্দীপক ও 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার অমিল রয়েছে।

4 views

Related Questions