1 Answers

আত্মত্যাগের দিক থেকে উদ্দীপকের মূলভাব এবং 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার মূলভাব একসূত্রে গাঁথা। মন্তব্যটি যথার্থ। 

পৃথিবীতে সবাই মুক্ত ও স্বাধীন থাকতে চায়। তাই জোর করে কোনো জাতিকেই দীর্ঘদিন পরাধীন করে রাখা যায় না। তারা প্রতিবাদ- প্রতিরোধের মাধ্যমে অধিকার আদায়ে সোচ্চার হয়। বাঙালিরা ১৯৭১ সালে শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মম অত্যাচার, হত্যাযজ্ঞ এবং স্বাধীনতার জন্য এদেশের সর্বস্তরের মানুষের আত্মত্যাগের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী জলপাই রঙের ট্যাঙ্ক নিয়ে আক্রমণ করেছিল তারা। এদেশের মানুষের স্বাধীনতার স্বপ্নকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু বাঙালিরা তা করতে দেয়নি। তারা বুকের রক্ত ঢেলে দিয়েছে এবং সেই রক্তস্নাত পথে কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতাকে ছিনিয়ে এনেছে। উদ্দীপকের কবিতাংশে সেই আত্মত্যাগের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। উদ্দীপকের কবিতাংশে কবি তাঁর ভাই-বোনকে না পেয়ে ব্যাকুল ও বেদনাহত হয়েছেন।

'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায় ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, যুদ্ধের ভয়াবহতা, পাকিস্তানি বাহিনীর ধ্বংসলীলা, নারী নির্যাতন, অন্যায়-অত্যাচার ইত্যাদি বিষয় রয়েছে। এসব বিষয়ের মধ্যে স্বাধীনতার জন্য আত্মত্যাগের দিকটিই প্রধান। উদ্দীপকে অনেক যুদ্ধ, অনেক রক্তের মধ্যে কবির প্রিয় ভাই-বোনের আত্মদান মিশে আছে। এই বিচারে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

6 views

Related Questions