1 Answers
উদ্দীপকের মূলভাব এবং 'স্বাধীনতা, এ শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো' কবিতার মূলভাব একসূত্রে গাঁথা।- মন্তব্যটি যথার্থ।
বাঙালি জাতির ইতিহাসে সবচেয়ে গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় ১৯৭১-এর স্বাধীনতা সংগ্রাম। এই সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্ররূপে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। বাঙালির স্বাধীনতা অর্জনের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন বাঙালি জাতির জনক সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
'স্বাধীনতা, এ শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো' কবিতায় ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের কথা বলা হয়েছে। যে ভাষণ শোনার জন্য বাংলার লাখ লাখ মানুষ উন্মুখ হয়ে বসে ছিল রেসকোর্স ময়দানে। এই ভাষণেই বাঙালির অমর অজর প্রিয় শব্দ 'স্বাধীনতা' কথাটি উচ্চারিত হয়েছিল। "এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম"- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের এ ঘোষণায় বাঙালি অনুপ্রাণিত হয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। এ কারণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাদের হৃদয়ের মণিকোঠায় স্থান করে নিয়েছেন। কবিতার এই মূলভাবটির সঙ্গে উদ্দীপকের মূলভাবটির মিল দেখা যায়। সেখানেও বাঙালি তাঁকে শ্রদ্ধায়-ভালোবাসায় স্মরণ করেছে।
উদ্দীপকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কীর্তিকে অমর অক্ষয় করে রাখার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। পদ্মা-মেঘনা-গৌরী-যমুনা বাংলাদেশের বুকের ওপর। দিয়ে বয়ে চলা নদী। এসব নদীর দানে এদেশ ফুলে-ফসলে সমৃদ্ধ। এই নদীগুলোর অধিকার অর্জনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা যাঁর, তিনি হলেন বাঙালির শেকড় থেকে উঠে আসা রাজনীতির কবি বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাই এদেশের মানুষ কৃতজ্ঞচিত্তে তাঁর কীর্তিকে অমরতা দানে যত্নবান। যতদিন এদেশের বুকে এসব নদী বহমান থাকবে ততদিন বাঙালি তাদের নেতাকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে। এভাবে কবিতা ও উদ্দীপকের মূলভাব একসূত্রে গাঁথা।